০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চৈত্রসংক্রান্তী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা

চুয়াডাঙ্গায় উন্মুক্ত মঞ্চে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে বৈশাখী মেলা

চুয়াডাঙ্গায় চৈত্রসংক্রান্তী ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। সভায় চৈত্রসংক্রান্তী ও বাংলা নববর্ষকে বাঙালির ঐতিহ্য ও চেতনার ধারক ও বাহক হিসেবে যথাযথ মর্যাদায় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

প্রস্তুতিমূলক সভায় উপস্থিত ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ডিডিএলজি) শারমিন আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম সাইফুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, প্রথম আলোর সাংবাদিক শাহ আলম সনি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক হোসেন আলী, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আসলাম হোসেন, মুখ্য সংগঠক সজীবুল ইসলাম, সাকিব বিশ্বাসসহ জেলার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপনের অংশ হিসেবে নববর্ষের দিন সকাল ৮ টায় চাঁদমারি মাঠ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সরকারি কলেজ চত্বরে শেষ হবে। পরে সকাল ৯ টায় শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে ৩ দিনব্যাপী লোকজ সাংস্কৃতিক মেলার উদ্বোধন করা হবে। মেলায় প্রতিদিন বিকাল ৫টা রাত ৮ টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও হাসপাতাল ও শিশু সদনে ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার সরবরাহ, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং রচনা প্রতিযোগিতা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শোভাযাত্রা শেষে অংশগ্রহণকারীরা চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে বিশ্রাম নেবেন, যেখানে পৌরসভা ও কলেজের যৌথ ব্যবস্থাপনায় মুড়ি, মুড়কি ও বাতাসা বিতরণ করা হবে। এছাড়া কলেজের পক্ষ থেকে পান্তা-ইলিশ পরিবেশনের কথাও রয়েছে।

বাঙালি সাজে ঐতিহ্য তুলে ধরার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো ‘ক’ (প্রাথমিক), ‘খ’ (মাধ্যমিক) ও ‘গ’ (কলেজ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন) এই তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগ থেকে সেরা তিনটি দলকে পুরস্কৃত করা হবে। পুরস্কার বিতরণ করা হবে লোকজ মেলার সমাপনী দিনে। সভা পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান।

Tag :
এখন আলোচনায়

ধামরাইয়ে চার পরিবহনের সংঘর্ষে দুই শিক্ষার্থী নিহত

চৈত্রসংক্রান্তী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা

চুয়াডাঙ্গায় উন্মুক্ত মঞ্চে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে বৈশাখী মেলা

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

চুয়াডাঙ্গায় চৈত্রসংক্রান্তী ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। সভায় চৈত্রসংক্রান্তী ও বাংলা নববর্ষকে বাঙালির ঐতিহ্য ও চেতনার ধারক ও বাহক হিসেবে যথাযথ মর্যাদায় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

প্রস্তুতিমূলক সভায় উপস্থিত ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ডিডিএলজি) শারমিন আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম সাইফুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, প্রথম আলোর সাংবাদিক শাহ আলম সনি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক হোসেন আলী, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আসলাম হোসেন, মুখ্য সংগঠক সজীবুল ইসলাম, সাকিব বিশ্বাসসহ জেলার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপনের অংশ হিসেবে নববর্ষের দিন সকাল ৮ টায় চাঁদমারি মাঠ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সরকারি কলেজ চত্বরে শেষ হবে। পরে সকাল ৯ টায় শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে ৩ দিনব্যাপী লোকজ সাংস্কৃতিক মেলার উদ্বোধন করা হবে। মেলায় প্রতিদিন বিকাল ৫টা রাত ৮ টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও হাসপাতাল ও শিশু সদনে ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার সরবরাহ, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং রচনা প্রতিযোগিতা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শোভাযাত্রা শেষে অংশগ্রহণকারীরা চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে বিশ্রাম নেবেন, যেখানে পৌরসভা ও কলেজের যৌথ ব্যবস্থাপনায় মুড়ি, মুড়কি ও বাতাসা বিতরণ করা হবে। এছাড়া কলেজের পক্ষ থেকে পান্তা-ইলিশ পরিবেশনের কথাও রয়েছে।

বাঙালি সাজে ঐতিহ্য তুলে ধরার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো ‘ক’ (প্রাথমিক), ‘খ’ (মাধ্যমিক) ও ‘গ’ (কলেজ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন) এই তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগ থেকে সেরা তিনটি দলকে পুরস্কৃত করা হবে। পুরস্কার বিতরণ করা হবে লোকজ মেলার সমাপনী দিনে। সভা পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান।