
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইয়েমেনের হুথি-নিয়ন্ত্রিত শহর হোদেইদায় হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হুথি গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ব্যুরো এক বিবৃতিতে বলেছে, ইয়েমেনের জনগণ, নেতৃত্ব এবং সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ‘প্রতিরোধের সমীকরণ’ এখন অত্যন্ত স্পষ্ট ও অটল। তাদের ভাষ্য, “অবরোধের জবাবে অবরোধ, বন্দরের জবাবে বন্দর এবং উসকানির জবাবে উসকানি দেওয়া হবে।”
একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে, সৌদি আরব আগ্রাসন অব্যাহত রাখলে আগ্রাসনকারীরা আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হবে।
ইয়েমেনের সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ইরানি যাত্রীবাহী বিমান অবতরণের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। ইরানি বিমানটির অবতরণ ঠেকাতে বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালানো হয়। হুথিদের দাবি, ওই হামলা সৌদি আরব চালিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, ইরানি বিমানটির অবতরণ ঠেকাতেই তারাই এ অভিযান পরিচালনা করেছে।
এর পরই লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ জারির ঘোষণা দেয় হুথি গোষ্ঠী। একই সঙ্গে তারা অন্তত দু’টি সৌদি জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নতুন করে বিমান হামলা চালায় সৌদি আরব।
এদিকে হামলার পর হুথিদের সম্ভাব্য পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় শনিবার ভোরে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স পশ্চিমাঞ্চলের ইয়ানবু এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জাজান প্রদেশের বাসিন্দাদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করেছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
অনলাইন ডেস্ক 






















