১২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবম পে-স্কেলে ওআরওপি নিয়ে যা জানা গেল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ Time View

নবম জাতীয় পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের স্বস্তি দিতে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে সবার পেনশন সমান হারে বাড়ছে না।

যারা কম পেনশন পান, তাদের বৃদ্ধির হার বেশি; আর বেশি পেনশনধারীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম। অন্যদিকে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বহুল আলোচিত ‘এক পদ এক পেনশন’ বা ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ (ওআরওপি) এবারই পুরোপুরি চালু হচ্ছে না। সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এটি ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর প্রধান কারণ বিপুল আর্থিক সংশ্লেষ এবং ২০১৯ সালের আগে অবসর নেওয়া বেসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি। অর্থবিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এখনই নয় ‘এক পদ এক পেনশন’

সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে ছিল সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে এক গ্রেড এক পেনশন চালুর কথা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, একই পদ বা গ্রেড থেকে ভিন্ন সময়ে অবসর নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পেনশনের বড় ধরনের বৈষম্য দূর করা। বর্তমান ব্যবস্থায় অনেক আগে অবসরে যাওয়া কর্মচারী একই পদে বর্তমানে অবসর নেওয়া ব্যক্তির তুলনায় কম পেনশন পাচ্ছেন। ওআরওপি চালু হলে একই পদ বা গ্রেডের অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে এই বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, সামরিক ও বেসামরিক-উভয় ক্ষেত্রেই একই সঙ্গে ওআরওপি বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু এখন এটি করতে গেলে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ২০১৯ সালের আগে অবসর নেওয়া বেসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরকারের হাতে না থাকায় একবারে ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Tag :

একটি সুশৃঙ্খল লংমার্চ সরকারকে দিল নতুন বার্তা

নবম পে-স্কেলে ওআরওপি নিয়ে যা জানা গেল

আপডেট সময় : ০৯:২১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নবম জাতীয় পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের স্বস্তি দিতে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে সবার পেনশন সমান হারে বাড়ছে না।

যারা কম পেনশন পান, তাদের বৃদ্ধির হার বেশি; আর বেশি পেনশনধারীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম। অন্যদিকে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বহুল আলোচিত ‘এক পদ এক পেনশন’ বা ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ (ওআরওপি) এবারই পুরোপুরি চালু হচ্ছে না। সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এটি ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর প্রধান কারণ বিপুল আর্থিক সংশ্লেষ এবং ২০১৯ সালের আগে অবসর নেওয়া বেসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি। অর্থবিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এখনই নয় ‘এক পদ এক পেনশন’

সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে ছিল সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে এক গ্রেড এক পেনশন চালুর কথা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, একই পদ বা গ্রেড থেকে ভিন্ন সময়ে অবসর নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পেনশনের বড় ধরনের বৈষম্য দূর করা। বর্তমান ব্যবস্থায় অনেক আগে অবসরে যাওয়া কর্মচারী একই পদে বর্তমানে অবসর নেওয়া ব্যক্তির তুলনায় কম পেনশন পাচ্ছেন। ওআরওপি চালু হলে একই পদ বা গ্রেডের অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে এই বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, সামরিক ও বেসামরিক-উভয় ক্ষেত্রেই একই সঙ্গে ওআরওপি বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু এখন এটি করতে গেলে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ২০১৯ সালের আগে অবসর নেওয়া বেসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরকারের হাতে না থাকায় একবারে ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।