১০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎লালমনিরহাটে জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনারটি

‎লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

১৯৮০ সালের দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে ভাষা শহীদদের স্মরণ করার জন্য তৈরি করে একটি শহীদ মিনার। সে সময় এখানে মানুষজন এই শহীদ মিনারে ২১ শে ফেব্রুয়ারি ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপনের পাশাপাশি করতো বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠান। আজ ধিরে ধিরে লোক সমাজের আড়াল করে রেখেছে সেই শহীদ মিনারটি।

‎লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের বড়বাড়ী বাজারের কাঁচা বাজার (মহিলা মার্কেট) এর পিছনে জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে একটি শহীদ মিনার। কেউ নেয়নি কোন ধরনের মেরামতের উদ্যোগ। যার ফলে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনার।

‎এটি অত্র এলাকার এক সময়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থাকলেও এখনও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে সেটি। দীর্ঘ ৪৬বছরে শহীদ মিনারটির সংস্কারের নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

‎জানা যায়, ১৯৮০ সালের দিকে বড়বাড়ি ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের নুরুজামান মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মেহেরুল্লাহ, বাংগোর, হবিসহ কিছু যুবক এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেন। সে সময় দূর থেকে অনেকে এসে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতো এই শহীদ মিনারে।

‎২০০১ সালের সালের পর থেকে এটি আর সংস্কার করা হয়নি। এভাবে ধীরে ধীরে বর্তমানে ধ্বংস প্রায় হয়ে গেছে এ শহীদ মিনারটি।

‎এলাকাবাসী জানান, মহান শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ২১শে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ফুল দিতাম এই শহীদ মিনারে।

Tag :
এখন আলোচনায়

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

‎লালমনিরহাটে জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনারটি

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

১৯৮০ সালের দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে ভাষা শহীদদের স্মরণ করার জন্য তৈরি করে একটি শহীদ মিনার। সে সময় এখানে মানুষজন এই শহীদ মিনারে ২১ শে ফেব্রুয়ারি ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপনের পাশাপাশি করতো বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠান। আজ ধিরে ধিরে লোক সমাজের আড়াল করে রেখেছে সেই শহীদ মিনারটি।

‎লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের বড়বাড়ী বাজারের কাঁচা বাজার (মহিলা মার্কেট) এর পিছনে জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে একটি শহীদ মিনার। কেউ নেয়নি কোন ধরনের মেরামতের উদ্যোগ। যার ফলে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনার।

‎এটি অত্র এলাকার এক সময়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থাকলেও এখনও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে সেটি। দীর্ঘ ৪৬বছরে শহীদ মিনারটির সংস্কারের নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

‎জানা যায়, ১৯৮০ সালের দিকে বড়বাড়ি ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের নুরুজামান মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মেহেরুল্লাহ, বাংগোর, হবিসহ কিছু যুবক এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেন। সে সময় দূর থেকে অনেকে এসে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতো এই শহীদ মিনারে।

‎২০০১ সালের সালের পর থেকে এটি আর সংস্কার করা হয়নি। এভাবে ধীরে ধীরে বর্তমানে ধ্বংস প্রায় হয়ে গেছে এ শহীদ মিনারটি।

‎এলাকাবাসী জানান, মহান শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ২১শে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ফুল দিতাম এই শহীদ মিনারে।