১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদার বিষ্ণুপুরে শিক্ষক কতৃক মাদ্রাসা ছাত্র বলাৎকার !

 

স্টাফ রিপোর্টার:
আজ(২৭ ডিসেম্বর)শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের দারুল উলুম ফুরকানিয়া কওমী মাদ্রাসায় অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত হোসেন শিশির(২৪)কে বলাৎকারের অভিযোগে গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলা’র জয়রামপুর গ্রামের মল্লিক পাড়ার আব্দুল করিমের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানিয়েছেন,শনিবার সকাল ১১ টা হতে সাড়ে ১১ ঘটিকার মধ্যে দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর দারুল উলুম ফুরকানিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলা আরাফাত হোসেন শিশির উক্ত মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র (১২)কে ফুঁসলিয়ে নিজ শয়নকক্ষে নিয়ে বলাৎকার করে।এমন ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দিয়ে মাদ্রাসার একটা কক্ষে আটক করে রাখে এবং পরবর্তীতে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে
দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ও অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানায় নেন।

উল্লেখিত ঘটনার সত্যতা জানিয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ওই যে তোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটের কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

দামুড়হুদার বিষ্ণুপুরে শিক্ষক কতৃক মাদ্রাসা ছাত্র বলাৎকার !

আপডেট সময় : ০৯:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 

স্টাফ রিপোর্টার:
আজ(২৭ ডিসেম্বর)শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের দারুল উলুম ফুরকানিয়া কওমী মাদ্রাসায় অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত হোসেন শিশির(২৪)কে বলাৎকারের অভিযোগে গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলা’র জয়রামপুর গ্রামের মল্লিক পাড়ার আব্দুল করিমের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানিয়েছেন,শনিবার সকাল ১১ টা হতে সাড়ে ১১ ঘটিকার মধ্যে দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর দারুল উলুম ফুরকানিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলা আরাফাত হোসেন শিশির উক্ত মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র (১২)কে ফুঁসলিয়ে নিজ শয়নকক্ষে নিয়ে বলাৎকার করে।এমন ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দিয়ে মাদ্রাসার একটা কক্ষে আটক করে রাখে এবং পরবর্তীতে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে
দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ও অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানায় নেন।

উল্লেখিত ঘটনার সত্যতা জানিয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ওই যে তোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।