০৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় চার মাদকসেবী-ব্যবসায়ী আটক, সামারি ট্রায়ালে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে চার মাদকসেবী ও মাদক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) শেষে বিভিন্ন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে গত ২০ জুলাই রাত ১০টা ৫০ মিনিটে এসআই (নিরস্ত্র) মো. জাহাঙ্গীর আলম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দর্শনা থানার বলদিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালান।

এ সময় মো. আশাবুল হক ওরফে সেন্টু (৪৬), মো. ছানোয়ার হোসেন ওরফে তালুক (৩৮) এবং মো. নুর জামাল (৩৮)-কে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে পাঁচ পুরিয়া গাঁজা ও ৫০ গ্রাম তামাক জব্দ করা হয়।

একই দিন রাত ৯টার দিকে এসআই (নিরস্ত্র) শেখ মো. মোরশেদ আলী সংবাদ পেয়ে দর্শনা থানার উজলপুর (বিলপাড়া) গ্রামের একটি বাড়িতে যান। সেখানে মাদক সেবন করে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে আটক মো. নয়ন মোল্লাহ (৩৭)-কে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পরে চারজনকে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) আদালতে হাজির করা হলে আদালত মো. আশাবুল হক ওরফে সেন্টুকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এছাড়া মো. ছানোয়ার হোসেন ওরফে তালুক এবং মো. নুর জামালকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অপরদিকে, মো. নয়ন মোল্লাহকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

Tag :
এখন আলোচনায়

দর্শনায় চার মাদকসেবী-ব্যবসায়ী আটক, সামারি ট্রায়ালে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে চার মাদকসেবী ও মাদক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) শেষে বিভিন্ন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে গত ২০ জুলাই রাত ১০টা ৫০ মিনিটে এসআই (নিরস্ত্র) মো. জাহাঙ্গীর আলম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দর্শনা থানার বলদিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালান।

এ সময় মো. আশাবুল হক ওরফে সেন্টু (৪৬), মো. ছানোয়ার হোসেন ওরফে তালুক (৩৮) এবং মো. নুর জামাল (৩৮)-কে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে পাঁচ পুরিয়া গাঁজা ও ৫০ গ্রাম তামাক জব্দ করা হয়।

একই দিন রাত ৯টার দিকে এসআই (নিরস্ত্র) শেখ মো. মোরশেদ আলী সংবাদ পেয়ে দর্শনা থানার উজলপুর (বিলপাড়া) গ্রামের একটি বাড়িতে যান। সেখানে মাদক সেবন করে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে আটক মো. নয়ন মোল্লাহ (৩৭)-কে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পরে চারজনকে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) আদালতে হাজির করা হলে আদালত মো. আশাবুল হক ওরফে সেন্টুকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এছাড়া মো. ছানোয়ার হোসেন ওরফে তালুক এবং মো. নুর জামালকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অপরদিকে, মো. নয়ন মোল্লাহকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।