
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার আগামী নির্বাচনের আগেই করতে হবে। এই বিচার ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজ বিকেল ৩টায় শাহবাগ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। এই বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সময়ে ইনকিলাব মঞ্চ কর্মসূচি ঘোষণা করবে। এই সরকারের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চ আছে, নাকি এই সরকারের পতনের আন্দোলন ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে শুরু হবে, তা এই কর্মসূচি থেকে জানা যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল জাবের মূলত দুটি দাবি জানান। তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। এই হত্যার ঘটনা তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে এফবিআই বা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নাম উল্লেখ করে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাঁকে (মুহাম্মদ ইউনূস) প্রধান উপদেষ্টা বানিয়েছে জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য। ওসমান হাদির জানাজার মাঠে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন যে, তিনি ওসমান হাদিকে ধারণ করেন। কিন্তু একবারের জন্যও তিনি জানাজার ময়দানে বলেননি যে, এই খুনের বিচারের ব্যাপারে তিনি কী করবেন। মানে তাঁর এই অসহায়ত্ব, তাঁরা দেখতে পেয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা আসলে কীসের কারণে অসহায়, সেটা তাঁরা জানতে চান। প্রধান উপদেষ্টাকে কে অসহায় করে তুলল, এটা তাঁদের কাছে তাঁকে জানাতে হবে। এটা না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দিয়ে এরপর তিনি চলে যাবেন, এটা হবে না। নির্বাচনের আগে এই হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এরপর নির্বাচন। এর আগে কোনো নির্বাচন না।
সরকারের উদ্দেশে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদিকে যারা খুন করেছে, তারা দেশে থাকলে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করুন। আর তারা যদি দেশে যদি না থাকে, তাহলে বিদেশে যেখানেই থাকুক, সেখান থেকে দেশে আনার ব্যবস্থা করুন। এর বাইরে তাঁরা আর কিছু জানেন না।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘আমরা ইনকিলাব মঞ্চ আজকে, এখন থেকে রাজপথে অবস্থান করবার ঘোষণা দিচ্ছি যে, আমরা রাজপথ ছেড়ে যাচ্ছি না।’
অনলাইন ডেস্ক 
























