
স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ ওসমান হাদীকে গুলি করে হত্যার চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে চুয়াডাঙ্গার বড়বাজারস্থ জুলাই স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উত্তাল হয়ে ওঠে এক বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়ার মাধ্যমে।
হামলার নিন্দা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ছাত্র-জনতাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন।
হামলার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রতিবাদ সভায় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ঘটনাটিকে ‘গণতন্ত্র ও স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর নগ্ন হামলা’ আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানান।

বক্তব্য রাখেন-
তুষার ইমরান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক
আসলাম হোসেন অর্ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক
সোহেল পারভেজ, এনসিপি নেতা
জুবায়ের হোসেন, এনসিপি নেতা
আলমগীর হোসেন, এবি পার্টির চুয়াডাঙ্গা জেলা সভাপতি
ফাহিম উদ্দিন মভিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদর উপজেলা সদস্য সচিব
বক্তারা বলেন, “যিনি জুলাই মাসে মানুষের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, আজ তাকে এভাবে গুলি করে স্তব্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।”

তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান, অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভার শেষে, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদীর আশু আরোগ্য ও দ্রুত সুস্থতা কামনা করে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছাত্র-জনতা তার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করেন।
সিয়াম হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয় ছাত্র-জনতার পাশাপাশি সলিমিন হোসাইন সোহাগ, আশিক ইকবাল, আবু তালহা, নাসিম বিশ্বাস, রিফাত, মাফুজ, শাওন, ফাহাদ, বিপ্লব, নাজমুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ছাত্র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদীর ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলা চুয়াডাঙ্গার রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বক্তাদের জোরালো দাবি, অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে যেন জনগণের মাঝে আস্থা ফিরিয়ে আনা হয়।
মোঃ নাঈম উদ্দীন 

















