
চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপি লোকজ ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগীতায় (২৫ জুন) মঙ্গলবার দিনব্যাপি চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্ত মঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সন্ধা সাড়ে ৭টায় লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। এর আগে সকাল ৯টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে লোক সংগীত ও নৃত্য প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে লোকজ সাংস্কৃতিক বিভিন্ন রকমের গান পরিবেশন করা হয়। এসময় উৎসবটি প্রাণবন্ত করে তোলে শিল্পী বাউল মজিদ। নুসরাত জাহান করবির কণ্ঠে লোকজ গানের পরিবেশনায় উৎসবটি আরও রাঙিয়ে তোলে। লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসবের লোকজের বিভিন্ন সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এরপর একাধিক স্থানীয় শিল্পীদের বিভিন্ন রকমের লোকজ গানে অনুষ্ঠানের গোটা চারপাশ মুখর হয়ে ওঠে। আর এই গানের পরিবেশনের সাথে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের বাজনায় মুখোর হয়ে ওঠে শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশ। জমকালো সন্ধ্যার লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে আসেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাজমুল হামিদ রেজা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কবির হোসেন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সি আবু সাইফ প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার সকল শিশু শিল্পীর অভিভাবকবৃন্দ ও অন্যান্য সকল অতিথিবৃন্দরা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে উপস্থিত অতিথিরা লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসবের উপভোগ করতে এসে অনুভূতি প্রকাশ করে জানান, সাহিত্য সাংস্কৃতিক শব্দ মানুষের প্রাণ। এই সাহিত্য লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসবটি বাঙালির মনে জাগ্রত করে তোলে। সাংস্কৃতিক বড় অংশ সংগীত। বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসবের বিকল্প নেই। তাই লোকজ সাংস্কৃতিক বিশ্বাস না করলে মনোসত্ত্ব্য হারিয়ে যাবে। নিজের জীবনটা লোকজ সাংস্কৃতিক মধ্যে আকৃষ্ট করতে হবে। লোকজ সাংস্কৃতিক আমাদের মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।
অনলাইন ডেস্ক 



















