০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেড়ামারা পৌর পার্কের সাইনবোর্ডের বয়স এখন ৩ বছর

ভেড়ামারায় পৌর পার্ক এখন বন জঙ্গলে ঘেরা। রক্ষণাবেক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার না থাকার কারণে অনেকটাই জোরাজ্ন্যু হয়ে পড়েছে পৌর শহরের একমাত্র পৌর পার্কের নির্ধারিত স্থান। কর্তৃপক্ষের অবহেলায় পার্কের নির্ধারিত স্থানটি বর্তমানে ঘাস, গোচারণভূমি ও কৃষি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পার্কটি তৈরি করে বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

একমাত্র পৌর পার্ক টি চালু করে দিলে শিশু, কিশোর, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শত শত মানুষ একটু স্বস্তির আশায় ছুটে আসবেন এই পৌর পার্কটিতে। কয়েক বছর ধরে কর্তৃপক্ষর অব্যবস্থাপনা ও সঠিক জায়গার রক্ষণাবেক্ষণে এর অভাবে পার্কটির নির্ধারিত স্থানটি বেদখল ও আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পার্কের বেশিরভাগ জমিতে ঘাস আর আগাছায় এবং পাবলিকের দখলে চলে গেছে। গোচারণভূমি হয়ে যাওয়ায় ভেতরে গরু ছাগল দেখা যায়। অথচ যাতায়াত সুবিধা ভালো হওয়াযর পরেও আমাদের পৌর পার্কের স্থানটি শুধুমাত্র একটা সাইনবোর্ড লাগিয়ে ঝুলিয়ে আছে তিনটি বছর। পৌর পার্কটি চালু করতে পারলে সেবা প্রত্যাশীরা কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে এ পার্কে আসবেন। যা হতে পারতো সাধারণ মানুষের স্বস্তিতে সময় কাটানোর একমাত্র মাধ্যম। এই শহরে আর কোন সরকারি পার্ক না থাকায় সবকিছু থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন। পার্কটির উন্নয়নের কাজ দুটো সময়ের মধ্যে শুরু করে সেটিকে একটি নান্দনিক পার্ক হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটের কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

ভেড়ামারা পৌর পার্কের সাইনবোর্ডের বয়স এখন ৩ বছর

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

ভেড়ামারায় পৌর পার্ক এখন বন জঙ্গলে ঘেরা। রক্ষণাবেক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার না থাকার কারণে অনেকটাই জোরাজ্ন্যু হয়ে পড়েছে পৌর শহরের একমাত্র পৌর পার্কের নির্ধারিত স্থান। কর্তৃপক্ষের অবহেলায় পার্কের নির্ধারিত স্থানটি বর্তমানে ঘাস, গোচারণভূমি ও কৃষি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পার্কটি তৈরি করে বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

একমাত্র পৌর পার্ক টি চালু করে দিলে শিশু, কিশোর, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শত শত মানুষ একটু স্বস্তির আশায় ছুটে আসবেন এই পৌর পার্কটিতে। কয়েক বছর ধরে কর্তৃপক্ষর অব্যবস্থাপনা ও সঠিক জায়গার রক্ষণাবেক্ষণে এর অভাবে পার্কটির নির্ধারিত স্থানটি বেদখল ও আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পার্কের বেশিরভাগ জমিতে ঘাস আর আগাছায় এবং পাবলিকের দখলে চলে গেছে। গোচারণভূমি হয়ে যাওয়ায় ভেতরে গরু ছাগল দেখা যায়। অথচ যাতায়াত সুবিধা ভালো হওয়াযর পরেও আমাদের পৌর পার্কের স্থানটি শুধুমাত্র একটা সাইনবোর্ড লাগিয়ে ঝুলিয়ে আছে তিনটি বছর। পৌর পার্কটি চালু করতে পারলে সেবা প্রত্যাশীরা কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে এ পার্কে আসবেন। যা হতে পারতো সাধারণ মানুষের স্বস্তিতে সময় কাটানোর একমাত্র মাধ্যম। এই শহরে আর কোন সরকারি পার্ক না থাকায় সবকিছু থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন। পার্কটির উন্নয়নের কাজ দুটো সময়ের মধ্যে শুরু করে সেটিকে একটি নান্দনিক পার্ক হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।