০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করলেন জেলার নবাগত পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন।

পরিদর্শনের সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের আবাসন, শৃঙ্খলা এবং দাপ্তরিক বিভিন্ন শাখার খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে পুলিশ সুপার মহোদয় পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালামী গ্রহণ শেষে তিনি পুলিশ লাইন্সের কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান পুলিশ লাইন্সের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও দপ্তরসমূহ সরজমিনে ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

অস্ত্রাগার ও রিজার্ভ অফিস: নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্রাগারের আধুনিকায়ন ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দেন।

আবাসন ও মেস: ফোর্সের ব্যারাকসমূহ পরিদর্শন করে তিনি পুলিশ সদস্যদের থাকার পরিবেশ দেখেন। বিশেষ করে পুলিশ মেসে উন্নতমানের ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন।

দাপ্তরিক শাখা: আরআই অফিস, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এবং ক্লোথিং স্টোর পরিদর্শন করে মজুদ মালামাল ও নথিপত্র যাচাই করেন।

ধর্মীয় ও অন্যান্য স্থাপনা: তিনি পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদ ও মেহমান খানা পরিদর্শন করেন। একই সাথে পুলিশ লাইন্সের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে ওয়াশরুম ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতির দিকে নজর দিতে বলেন।

মানবিক পুলিশ ও সেবা এবং দাপ্তরিক কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হলে ফোর্সের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা অপরিহার্য।

তিনি ফোর্সের ব্যারাক ও আশপাশের এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিধি মোতাবেক ছুটি মঞ্জুর করার বিষয়ে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দাপ্তরিক কাজে কোনো প্রকার অবহেলা সহ্য করা হবে না।

এ সময় পুলিশ সুপারের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)। জামাল আল নাসের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)। অনির্বাণ দাস, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস)। এছাড়াও আরআই, পুলিশ লাইন্স চুয়াডাঙ্গাসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান গত ১৬ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানান।

Tag :
এখন আলোচনায়

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করলেন জেলার নবাগত পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন।

পরিদর্শনের সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের আবাসন, শৃঙ্খলা এবং দাপ্তরিক বিভিন্ন শাখার খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে পুলিশ সুপার মহোদয় পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালামী গ্রহণ শেষে তিনি পুলিশ লাইন্সের কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান পুলিশ লাইন্সের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও দপ্তরসমূহ সরজমিনে ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

অস্ত্রাগার ও রিজার্ভ অফিস: নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্রাগারের আধুনিকায়ন ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দেন।

আবাসন ও মেস: ফোর্সের ব্যারাকসমূহ পরিদর্শন করে তিনি পুলিশ সদস্যদের থাকার পরিবেশ দেখেন। বিশেষ করে পুলিশ মেসে উন্নতমানের ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন।

দাপ্তরিক শাখা: আরআই অফিস, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এবং ক্লোথিং স্টোর পরিদর্শন করে মজুদ মালামাল ও নথিপত্র যাচাই করেন।

ধর্মীয় ও অন্যান্য স্থাপনা: তিনি পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদ ও মেহমান খানা পরিদর্শন করেন। একই সাথে পুলিশ লাইন্সের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে ওয়াশরুম ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতির দিকে নজর দিতে বলেন।

মানবিক পুলিশ ও সেবা এবং দাপ্তরিক কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হলে ফোর্সের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা অপরিহার্য।

তিনি ফোর্সের ব্যারাক ও আশপাশের এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিধি মোতাবেক ছুটি মঞ্জুর করার বিষয়ে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দাপ্তরিক কাজে কোনো প্রকার অবহেলা সহ্য করা হবে না।

এ সময় পুলিশ সুপারের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)। জামাল আল নাসের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)। অনির্বাণ দাস, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস)। এছাড়াও আরআই, পুলিশ লাইন্স চুয়াডাঙ্গাসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান গত ১৬ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানান।