০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ ২জন নারী আটক

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ ২জন নারী আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানিয়েছেন।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ঝাউরানী বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় গাঁজাসহ ২জন নারী আসামী আটক করেছে। চোরাচালান প্রতিরোধের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক বিরোধী অভিযানে বিজিবি’র দৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ মিলেছে।

বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, চোরাকারবারীরা সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার করবে। উক্ত তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টা ৫০মিনিটে ঝাউরানী বিওপি’র আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার দক্ষিণ ঝাউরানী নামক স্থানে বিজিবি’র টহলদল বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালীন সন্দেহজনক ব্যক্তিদেরকে আসতে দেখে বিজিবি টহলদলের সদস্যরা তাদের গতিরোধ করে এবং মহিলা বিজিবি সদস্যদের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার উত্তর ঝাউরানী গ্রামের রোমিছা বেগম (৪০) এবং আছিয়া বেগম (৬০) এর শরীরে বিশেষভাবে ফিটিং অবস্থায় বহনকৃত ৫কেজি ভারতীয় গাাঁজা উদ্ধার করা হয়।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ভারতীয় গাঁজা ৫কেজি, যার সিজার মূল্য ২২হাজার ৭শত ৫০টাকা। উল্লেখিত ঘটনায় আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা থানায় মামলা দায়েরপূর্বক মাদকদ্রব্যসহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদক চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্ঠ অন্যান্য চোরাকারবারীদের তথ্য সংগ্রহপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। মাদক পাচার রোধে সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং গোপন তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।

এই অভিযানে বিজিবির সাহসিকতা ও কৌশলগত দক্ষতা প্রশংসার দাবিদার, যা মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় ভ্যান চালক পেলো  মোটরসাইকেল পুরস্কার

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ ২জন নারী আটক

আপডেট সময় : ০৮:০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ ২জন নারী আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানিয়েছেন।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ঝাউরানী বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় গাঁজাসহ ২জন নারী আসামী আটক করেছে। চোরাচালান প্রতিরোধের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক বিরোধী অভিযানে বিজিবি’র দৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ মিলেছে।

বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, চোরাকারবারীরা সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার করবে। উক্ত তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টা ৫০মিনিটে ঝাউরানী বিওপি’র আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার দক্ষিণ ঝাউরানী নামক স্থানে বিজিবি’র টহলদল বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালীন সন্দেহজনক ব্যক্তিদেরকে আসতে দেখে বিজিবি টহলদলের সদস্যরা তাদের গতিরোধ করে এবং মহিলা বিজিবি সদস্যদের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার উত্তর ঝাউরানী গ্রামের রোমিছা বেগম (৪০) এবং আছিয়া বেগম (৬০) এর শরীরে বিশেষভাবে ফিটিং অবস্থায় বহনকৃত ৫কেজি ভারতীয় গাাঁজা উদ্ধার করা হয়।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ভারতীয় গাঁজা ৫কেজি, যার সিজার মূল্য ২২হাজার ৭শত ৫০টাকা। উল্লেখিত ঘটনায় আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা থানায় মামলা দায়েরপূর্বক মাদকদ্রব্যসহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদক চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্ঠ অন্যান্য চোরাকারবারীদের তথ্য সংগ্রহপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। মাদক পাচার রোধে সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং গোপন তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।

এই অভিযানে বিজিবির সাহসিকতা ও কৌশলগত দক্ষতা প্রশংসার দাবিদার, যা মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।