০৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চারদিন ধরে পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে গেছে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ গত চারদিন ধরে বিরাজ করছে। তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে গিয়ে জনজীবনে শীতের প্রভাব ছড়িয়ে দিচ্ছে। ১০ ডিসেম্বর থেকে জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ছয়টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। সঙ্গে ১০-১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

সকালের সূর্যোদয়ের সঙ্গে কিছুটা রোদ দেখা মিললেও কনকনে ঠান্ডায় নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বালু উত্তোলনকারী ও ইজিবাইক চালকদের জন্য সকাল সময়টা বিশেষ কষ্টের। রাতের বেলায় ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যায় এবং সূর্য ওঠার আগে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে।

রোববার সকালে পঞ্চগড় পৌর এলাকার ইজিবাইক চালক রহিমুল ইসলাম রহমান জানান, “রোদ উঠলেও কনকনে ঠান্ডা আমাদের জন্য কষ্টের। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় শীত, রাতভর প্রচণ্ড শীতের প্রভাব থাকে।”

বালুশ্রমিক এরশাদুল ইসলাম বলেন, “গরমের দিনে আমরা সকাল ছয়টার দিকে কাজ শুরু করতে পারি, কিন্তু এখন সকাল আটটা পর্যন্ত ঠান্ডার কারণে বালু উত্তোলন করতে পারি না। ফলে কাজে বিলম্ব হচ্ছে।”

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেনন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন, “এই মৌসুমে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। চারদিন ধরে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রোদের উপস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও ডিসেম্বরের বাকি দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।”
এভাবে চলমান শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে প্রভাব চলতে পারে এবং স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও উষ্ণ কাপড় ব্যবহার করে শীতে প্রতিরোধ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চারদিন ধরে পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে গেছে

আপডেট সময় : ০৬:২৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ গত চারদিন ধরে বিরাজ করছে। তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে গিয়ে জনজীবনে শীতের প্রভাব ছড়িয়ে দিচ্ছে। ১০ ডিসেম্বর থেকে জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ছয়টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। সঙ্গে ১০-১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

সকালের সূর্যোদয়ের সঙ্গে কিছুটা রোদ দেখা মিললেও কনকনে ঠান্ডায় নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বালু উত্তোলনকারী ও ইজিবাইক চালকদের জন্য সকাল সময়টা বিশেষ কষ্টের। রাতের বেলায় ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যায় এবং সূর্য ওঠার আগে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে।

রোববার সকালে পঞ্চগড় পৌর এলাকার ইজিবাইক চালক রহিমুল ইসলাম রহমান জানান, “রোদ উঠলেও কনকনে ঠান্ডা আমাদের জন্য কষ্টের। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় শীত, রাতভর প্রচণ্ড শীতের প্রভাব থাকে।”

বালুশ্রমিক এরশাদুল ইসলাম বলেন, “গরমের দিনে আমরা সকাল ছয়টার দিকে কাজ শুরু করতে পারি, কিন্তু এখন সকাল আটটা পর্যন্ত ঠান্ডার কারণে বালু উত্তোলন করতে পারি না। ফলে কাজে বিলম্ব হচ্ছে।”

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেনন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন, “এই মৌসুমে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। চারদিন ধরে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রোদের উপস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও ডিসেম্বরের বাকি দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।”
এভাবে চলমান শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে প্রভাব চলতে পারে এবং স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও উষ্ণ কাপড় ব্যবহার করে শীতে প্রতিরোধ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।