০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যারাকে নায়েকের মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর ব্যারাকের একটি কক্ষ থেকে নায়েক আজিজুর রহমান (৪৩) নামের এক বিজিবি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহত আজিজুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার বাসিন্দা এবং চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবিতে নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন।

৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আজিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং কয়েক মাস ধরে ঢাকায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত মাসে তিনি ঢাকার একটি মানসিক স্বাস্থ্য ইউনিটেও ভর্তি ছিলেন। তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ব্যারাকের একটি কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে একটি রশি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, নিহত সদস্য মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঘটনাস্থল একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় ভ্যান চালক পেলো  মোটরসাইকেল পুরস্কার

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যারাকে নায়েকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:২১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর ব্যারাকের একটি কক্ষ থেকে নায়েক আজিজুর রহমান (৪৩) নামের এক বিজিবি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহত আজিজুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার বাসিন্দা এবং চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবিতে নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন।

৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আজিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং কয়েক মাস ধরে ঢাকায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত মাসে তিনি ঢাকার একটি মানসিক স্বাস্থ্য ইউনিটেও ভর্তি ছিলেন। তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ব্যারাকের একটি কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে একটি রশি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, নিহত সদস্য মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঘটনাস্থল একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।