০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে চুয়াডাঙ্গায় অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, “তৃণমূলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বল্প সময়ে ও স্বল্প ব্যয়ে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

তিনি আরও বলেন, ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সাধারণ মানুষকে যেন জেলা আদালত বা থানায় হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে হবে। এতে বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি জেলা আদালতের মামলার জটও কমবে।

সভায় জেলা প্রশাসক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পর্যায়ে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিচারিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

সমন্বয় সভায় জানানো হয়, গত ছয় মাসে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। বক্তারা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বাজেটের সঠিক ব্যবহার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের জেলা ও উপজেলা সমন্বয়কারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটে র‍্যাবের অভিযানে চাঞ্চল্যকর ৫বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার

গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে চুয়াডাঙ্গায় অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১১:১১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, “তৃণমূলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বল্প সময়ে ও স্বল্প ব্যয়ে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

তিনি আরও বলেন, ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সাধারণ মানুষকে যেন জেলা আদালত বা থানায় হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে হবে। এতে বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি জেলা আদালতের মামলার জটও কমবে।

সভায় জেলা প্রশাসক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পর্যায়ে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিচারিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

সমন্বয় সভায় জানানো হয়, গত ছয় মাসে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। বক্তারা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বাজেটের সঠিক ব্যবহার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের জেলা ও উপজেলা সমন্বয়কারীরা উপস্থিত ছিলেন।