০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আলমডাঙ্গার জেহালায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

আমাদেরকে একে অপরের সহায় হতে হবে : শরীফুজ্জামান

আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালায় ২ হাজার শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেহালা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিদুজ্জামান মিল্টনের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘আজকের দিনে আমরা দেখতে পাই, অনেক মানুষ শীতের কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি গর্বিত যে আমাদের সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ২ হাজার শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমাদেরকে একে অপরের সহায় হতে হবে। তাহলেই আমরা আমাদের স্বপ্নের দেশ গড়তে পারবো।’

শরীফুজ্জামান বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই আমাদের ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে, যারা এ উদ্যোগকে সফল করতে শ্রম দিয়েছেন। পাশাপাশি আব্দুল্লাহ আল মামুন ট্রেডার্সকে, যার সহযোগীতায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কার্যক্রম সম্ভব হয়েছে। আমি আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে মানুষ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, বিএনপি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।’
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, আব্দুল্লাহ আল মামুন ট্রেডার্স-এর স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম এবং জেলা মৎস্যজীবী দলের সাবেক আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক বকুল। বিতরণ কার্যক্রম এবং সভা সঞ্চালনা করেন জেহালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন খান আলা।

অনুষ্ঠানে ২ হাজার শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। এসময় প্রধান অতিথি শরীফুজ্জামান শরীফ কম্বল নিতে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন এবং তাদের সঙ্গে হাত মেলান। উপস্থিত সাধারণ মানুষ বিএনপির এ নেতার আন্তরিকতায় উৎসাহ প্রকাশ করেন এবং তাকে ‘রাখাল রাজা’ বলে অভিহিত করেন। গ্রামবাসীরা বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতাকে এত কাছে পেয়ে আমরা আনন্দিত। তিনি আমাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের।’

এখন আলোচনায়

রূপপুরে সাগরচুরি: ২৭ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির বিল তোলা হয় ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ

আলমডাঙ্গার জেহালায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

আমাদেরকে একে অপরের সহায় হতে হবে : শরীফুজ্জামান

আপডেট সময় : ০২:৪৩:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালায় ২ হাজার শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেহালা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিদুজ্জামান মিল্টনের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘আজকের দিনে আমরা দেখতে পাই, অনেক মানুষ শীতের কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি গর্বিত যে আমাদের সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ২ হাজার শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমাদেরকে একে অপরের সহায় হতে হবে। তাহলেই আমরা আমাদের স্বপ্নের দেশ গড়তে পারবো।’

শরীফুজ্জামান বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই আমাদের ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে, যারা এ উদ্যোগকে সফল করতে শ্রম দিয়েছেন। পাশাপাশি আব্দুল্লাহ আল মামুন ট্রেডার্সকে, যার সহযোগীতায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কার্যক্রম সম্ভব হয়েছে। আমি আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে মানুষ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, বিএনপি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।’
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, আব্দুল্লাহ আল মামুন ট্রেডার্স-এর স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম এবং জেলা মৎস্যজীবী দলের সাবেক আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক বকুল। বিতরণ কার্যক্রম এবং সভা সঞ্চালনা করেন জেহালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন খান আলা।

অনুষ্ঠানে ২ হাজার শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। এসময় প্রধান অতিথি শরীফুজ্জামান শরীফ কম্বল নিতে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন এবং তাদের সঙ্গে হাত মেলান। উপস্থিত সাধারণ মানুষ বিএনপির এ নেতার আন্তরিকতায় উৎসাহ প্রকাশ করেন এবং তাকে ‘রাখাল রাজা’ বলে অভিহিত করেন। গ্রামবাসীরা বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতাকে এত কাছে পেয়ে আমরা আনন্দিত। তিনি আমাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের।’