১১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন বিএনপি নেতা শরীফুজ্জামান

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে দেশের তিনটি জেলার জন্য তিনজন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। অন্য দুই জেলার প্রশাসক হলেন সাতক্ষীরার মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং সিরাজগঞ্জের মো. সাইফুল ইসলাম।

নিয়োগের খবরে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য মানুষ নবনিযুক্ত প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরেই জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে শরীফুজ্জামান শরীফের নাম আলোচনায় ছিল। অবশেষে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৩ দ্বারা জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এ সংযোজিত ধারা ৮২ক (১) অনুযায়ী মো. শরীফুজ্জামান শরীফকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। জেলা পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৮২ক (৩) অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি-বিধান অনুযায়ী ভাতা প্রাপ্য হবেন।

মো. শরীফুজ্জামান শরীফ চুয়াডাঙ্গা শহরের মুক্তিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মো. শামসুজ্জোহা ও সাহিদা বেগমের কনিষ্ঠ সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবচেয়ে ছোট। তার পৈতৃক নিবাস চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচকমলাপুর গ্রামে।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়েও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তার নিয়োগে জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জেলার উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নবনিযুক্ত প্রশাসক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জেলাবাসী।

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটে র‍্যাবের অভিযানে চাঞ্চল্যকর ৫বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন বিএনপি নেতা শরীফুজ্জামান

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে দেশের তিনটি জেলার জন্য তিনজন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। অন্য দুই জেলার প্রশাসক হলেন সাতক্ষীরার মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং সিরাজগঞ্জের মো. সাইফুল ইসলাম।

নিয়োগের খবরে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য মানুষ নবনিযুক্ত প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরেই জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে শরীফুজ্জামান শরীফের নাম আলোচনায় ছিল। অবশেষে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৩ দ্বারা জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এ সংযোজিত ধারা ৮২ক (১) অনুযায়ী মো. শরীফুজ্জামান শরীফকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। জেলা পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৮২ক (৩) অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি-বিধান অনুযায়ী ভাতা প্রাপ্য হবেন।

মো. শরীফুজ্জামান শরীফ চুয়াডাঙ্গা শহরের মুক্তিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মো. শামসুজ্জোহা ও সাহিদা বেগমের কনিষ্ঠ সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবচেয়ে ছোট। তার পৈতৃক নিবাস চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচকমলাপুর গ্রামে।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়েও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তার নিয়োগে জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জেলার উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নবনিযুক্ত প্রশাসক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জেলাবাসী।