১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ মামলার ডাকাতসহ গ্রেপ্তার ৩

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে এক ডজন (১২টি) মামলার এজাহারভুক্ত দুর্ধর্ষ এক ডাকাতসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে জীবননগর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে ও চিহ্নিত ডাকাত সুজাত শেখ (৩৫), একই এলাকার মৃত হবির ছেলে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল জলিল (৫৯) এবং জীবননগর পৌর শহরের হাসপাতাল পাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী রিনা সুলতানা (৪৫)।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রুহুল কবীর খানের বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক চৌকস দল মঙ্গলবার ভোররাত থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে।

​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ডাকাতি ও অস্ত্রসহ এক ডজন মামলার পলাতক আসামি সুজাত শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একই গ্রাম থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল এবং হাসপাতাল পাড়া এলাকা থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রিনা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

​জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধমুক্ত উপজেলা গড়তে পুলিশের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​তিনি আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোরে সফল অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ৩ আসামিকে আজ দুপুরেই চুয়াডাঙ্গার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”

​এদিকে, পুলিশের এই ঝটিকা অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চিহ্নিত অপরাধী সুজাত শেখ গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

চুয়াডাঙ্গাকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের এই ধরনের কঠোর অভিযান যেন নিয়মিত চালু থাকে—এমনটাই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ মামলার ডাকাতসহ গ্রেপ্তার ৩

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ মামলার ডাকাতসহ গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় : ০৩:২৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে এক ডজন (১২টি) মামলার এজাহারভুক্ত দুর্ধর্ষ এক ডাকাতসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে জীবননগর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে ও চিহ্নিত ডাকাত সুজাত শেখ (৩৫), একই এলাকার মৃত হবির ছেলে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল জলিল (৫৯) এবং জীবননগর পৌর শহরের হাসপাতাল পাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী রিনা সুলতানা (৪৫)।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রুহুল কবীর খানের বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক চৌকস দল মঙ্গলবার ভোররাত থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে।

​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ডাকাতি ও অস্ত্রসহ এক ডজন মামলার পলাতক আসামি সুজাত শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একই গ্রাম থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল এবং হাসপাতাল পাড়া এলাকা থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রিনা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

​জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধমুক্ত উপজেলা গড়তে পুলিশের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​তিনি আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোরে সফল অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ৩ আসামিকে আজ দুপুরেই চুয়াডাঙ্গার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”

​এদিকে, পুলিশের এই ঝটিকা অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চিহ্নিত অপরাধী সুজাত শেখ গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

চুয়াডাঙ্গাকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের এই ধরনের কঠোর অভিযান যেন নিয়মিত চালু থাকে—এমনটাই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।