০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে টাপেন্টাডল ও নগদ টাকাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। গতকাল ১৯ মে ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার রাতে আলমডাঙ্গার দুর্গাপুর ইন্দারাপাড়া এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী কঠোর অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় আলমডাঙ্গা থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম থানা এলাকায় টহল ও মাদক উদ্ধারে অভিযানে নামে।

​১৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮:৫৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, আলমডাঙ্গা থানাধীন দুর্গাপুর ইন্দারাপাড়া এলাকার জনৈক নজরুল ইসলামের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর মাদক বেচাকেনা চলছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে এসআই মোঃ আলমগীর সংগীয় ফোর্সসহ সেখানে আকস্মিক অভিযান চালান।

​পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামিরা হলো: মোঃ সাগর আলী (২৬), পিতা- মোঃ কেরামত আলী ও মোঃ জোবায়ের হোসেন (২৫), পিতা- মোঃ মোশারফ হোসেন।

(উভয়ের বাড়ি আলমডাঙ্গা থানার মাদারহুদা গ্রামে।)
​গ্রেফতারের পর তাদের দেহ তল্লাশি করে অবৈধ ও নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ২৯০ (দুইশত নব্বই) পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১,২৩০/- (এক হাজার দুইশত ত্রিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত সাগর ও জোবায়ের স্বীকার করে যে, এই মাদক কারবারের সাথে তাদের আরও এক সহযোগী জড়িত রয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মাদারহুদা গ্রামে অপর এক অভিযান পরিচালনা করে।

সেখান থেকে তাদের সহযোগী আসামি মোঃ ইয়াছিন আরাফাত কোকো (২১), পিতা- হাবিবুর রহমান কালুকে তার নিজস্ব বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তরুণ সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে এই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

আজ (২০ মে) আসামিদের যথাযথ পুলিশ পাহারায় চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে সমাজকে মুক্ত করতে এই ধরনের মাদক বিরোধী জিরো টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :
এখন আলোচনায়

কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত লালমনিরহাটের কামাররা

আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে টাপেন্টাডল ও নগদ টাকাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৬:১১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। গতকাল ১৯ মে ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার রাতে আলমডাঙ্গার দুর্গাপুর ইন্দারাপাড়া এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী কঠোর অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় আলমডাঙ্গা থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম থানা এলাকায় টহল ও মাদক উদ্ধারে অভিযানে নামে।

​১৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮:৫৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, আলমডাঙ্গা থানাধীন দুর্গাপুর ইন্দারাপাড়া এলাকার জনৈক নজরুল ইসলামের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর মাদক বেচাকেনা চলছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে এসআই মোঃ আলমগীর সংগীয় ফোর্সসহ সেখানে আকস্মিক অভিযান চালান।

​পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামিরা হলো: মোঃ সাগর আলী (২৬), পিতা- মোঃ কেরামত আলী ও মোঃ জোবায়ের হোসেন (২৫), পিতা- মোঃ মোশারফ হোসেন।

(উভয়ের বাড়ি আলমডাঙ্গা থানার মাদারহুদা গ্রামে।)
​গ্রেফতারের পর তাদের দেহ তল্লাশি করে অবৈধ ও নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ২৯০ (দুইশত নব্বই) পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১,২৩০/- (এক হাজার দুইশত ত্রিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত সাগর ও জোবায়ের স্বীকার করে যে, এই মাদক কারবারের সাথে তাদের আরও এক সহযোগী জড়িত রয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মাদারহুদা গ্রামে অপর এক অভিযান পরিচালনা করে।

সেখান থেকে তাদের সহযোগী আসামি মোঃ ইয়াছিন আরাফাত কোকো (২১), পিতা- হাবিবুর রহমান কালুকে তার নিজস্ব বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তরুণ সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে এই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

আজ (২০ মে) আসামিদের যথাযথ পুলিশ পাহারায় চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে সমাজকে মুক্ত করতে এই ধরনের মাদক বিরোধী জিরো টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।