০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ২৭

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৪ Time View

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় মসজিদে বোমা হামলা ও পরবর্তী গোলাগুলির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয় হামলাকারী, ১৫ পুলিশ সদস্য ও ছয়জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের সময় কোহাতের পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদের ফটকে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে মসজিদের একটি অংশ ধসে পড়ে।

এ হামলার পর সন্ত্রাসীরা সেখানকার পুলিশ সদরদপ্তরের মুল অংশে প্রবেশের চেষ্টা করে। তখন শুরু হয় গোলাগুলি।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবানের অন্যতম অংশ ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে হামলা হয়েছে এটি আফগান সীমান্তের একদম কাছে। পাকিস্তান দাবি করে থাকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এই তেহরিক-ই-তালেবানকে সহায়তা করে থাকে। এরফলে সীমান্তের ওই পাড় থেকে এসে তারা হামলা চালাতে পারে। যদিও আফগান সরকার এ দাবি সবসময় প্রত্যাখ্যান করে থাকে।

প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এ আত্মঘাতী বোমা হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলার পর সন্ত্রসীরা পুলিশ সদরদপ্তরের কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে জানিয়েছে, ভয়াবহ এ হামলায় ৭৫ জন আহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই মসজিদে নামাজ আদায়ে গিয়েছিলেন।

হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরের দেওয়াল ধসে পড়েছে। এই হামলায় এতই শক্তিশালী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে যে এটির বিস্ফোরণের শব্দ অনেক দূর থেকেও শোনা গেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :

লালমনিরহাটে সিজারের কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু; খোঁজ নেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ২৭

আপডেট সময় : ০৩:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় মসজিদে বোমা হামলা ও পরবর্তী গোলাগুলির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয় হামলাকারী, ১৫ পুলিশ সদস্য ও ছয়জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের সময় কোহাতের পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদের ফটকে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে মসজিদের একটি অংশ ধসে পড়ে।

এ হামলার পর সন্ত্রাসীরা সেখানকার পুলিশ সদরদপ্তরের মুল অংশে প্রবেশের চেষ্টা করে। তখন শুরু হয় গোলাগুলি।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবানের অন্যতম অংশ ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে হামলা হয়েছে এটি আফগান সীমান্তের একদম কাছে। পাকিস্তান দাবি করে থাকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এই তেহরিক-ই-তালেবানকে সহায়তা করে থাকে। এরফলে সীমান্তের ওই পাড় থেকে এসে তারা হামলা চালাতে পারে। যদিও আফগান সরকার এ দাবি সবসময় প্রত্যাখ্যান করে থাকে।

প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এ আত্মঘাতী বোমা হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলার পর সন্ত্রসীরা পুলিশ সদরদপ্তরের কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে জানিয়েছে, ভয়াবহ এ হামলায় ৭৫ জন আহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই মসজিদে নামাজ আদায়ে গিয়েছিলেন।

হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরের দেওয়াল ধসে পড়েছে। এই হামলায় এতই শক্তিশালী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে যে এটির বিস্ফোরণের শব্দ অনেক দূর থেকেও শোনা গেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা