
চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক তিনটি মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৫ হাজার ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ৫০০ গ্রাম গাঁজা।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার দৌলতদিয়ার চুনুড়ীপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ।
অভিযানে হেলাল হোসেন সেতু (৩০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি দৌলতদিয়ার চুনুড়ীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা থানার মাধবীতলা ব্রিজ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল থেকে ৫ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলটির গতিরোধের সংকেত দিলে তিন ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে মোটরসাইকেলের স্কুলব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল জব্দ করা হয়।
পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে একই রাতে আলমডাঙ্গা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে আরেকটি অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ সাবিনা খাতুন (৩০) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তিনি স্থানীয় সাইদুল ইসলামের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামজামি পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল নারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে নারী পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটক সাবিনা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গাকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার 


















