১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

সংগৃহিত

ফেনীতে খেলার বিরোধের জের ধরে ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলার সদর উপজেলার কাজীরবাগ ইউনিয়নের রানীরহাট বাজার সংলগ্ন আল-আমিন একাডেমি স্কুলের সামনে ঘটে এ ঘটনা। নিহত মো. সুমন (২৩) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। তিনি কাজীরবাগ ইউনিয়নের অশ্বদিয়া গ্রামের বশির আহাম্মদের ছেলে। তার পৈতৃক বাড়ি নোয়াখালী।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

তারা হলেন- জামশেদ, আকাশ, রেদোয়ান ও সুমন।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে রানীরহাট বাজারে গল্প করছিলেন সুমন।

গত কয়েকদিন আগের বিরোধ কেন্দ্র করে সুমনের সঙ্গে কয়েকজন যুবকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে কয়েকজন যুবক তাকে ফেনী২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ভাই মো. সোহেল বলেন, আমার ভাই (শনিবার) সন্ধ্যায় কাজ শেষে রানীর হাট বাজারে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। রাত ১০টার দিকে স্থানীয় এক বড় ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, আমার ভাই এখানে মারামারি করছেন। আমি বন্ধ করে দিয়েছি তারপরও সে কথা শুনছে না। এরপর শুনি মারামারি করার সময় ছুরিকাঘাতে তার মৃত্যু হয়।

ফেনী মডেল থানায় ওসি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা হচ্ছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

ফেনীতে খেলার বিরোধের জের ধরে ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলার সদর উপজেলার কাজীরবাগ ইউনিয়নের রানীরহাট বাজার সংলগ্ন আল-আমিন একাডেমি স্কুলের সামনে ঘটে এ ঘটনা। নিহত মো. সুমন (২৩) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। তিনি কাজীরবাগ ইউনিয়নের অশ্বদিয়া গ্রামের বশির আহাম্মদের ছেলে। তার পৈতৃক বাড়ি নোয়াখালী।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

তারা হলেন- জামশেদ, আকাশ, রেদোয়ান ও সুমন।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে রানীরহাট বাজারে গল্প করছিলেন সুমন।

গত কয়েকদিন আগের বিরোধ কেন্দ্র করে সুমনের সঙ্গে কয়েকজন যুবকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে কয়েকজন যুবক তাকে ফেনী২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ভাই মো. সোহেল বলেন, আমার ভাই (শনিবার) সন্ধ্যায় কাজ শেষে রানীর হাট বাজারে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। রাত ১০টার দিকে স্থানীয় এক বড় ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, আমার ভাই এখানে মারামারি করছেন। আমি বন্ধ করে দিয়েছি তারপরও সে কথা শুনছে না। এরপর শুনি মারামারি করার সময় ছুরিকাঘাতে তার মৃত্যু হয়।

ফেনী মডেল থানায় ওসি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা হচ্ছে।