
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে আলমডাঙ্গা পৌরসভাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা। শনিবার বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
খেলার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা। প্রথমার্ধের তৃতীয় মিনিটে নাইজেরিয়ান খেলোয়াড় বেলালের বাড়ানো বলে ঝিনাইদহের উদীয়মান ফুটবলার শাকিল উৎস গোল করে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন।
গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে আলমডাঙ্গা পৌরসভা। দুই বিদেশি খেলোয়াড়কে সঙ্গে নিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালালেও প্রথমার্ধে সমতায় ফিরতে পারেনি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার হয়ে হাসিব গোল করলে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ২-০। দুই গোল হজমের পর আলমডাঙ্গা পৌরসভা আক্রমণের গতি বাড়ায়। দলের কোচ শেখ শরিফুল ইসলামের নির্দেশনায় খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।
এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয়ার্ধের ২৯তম মিনিটে আলমডাঙ্গা পৌরসভার জিনারুল গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন। এরপর উভয় দলই আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। দর্শকদের করতালি ও উৎসাহে খেলোয়াড়রা আরও উজ্জীবিত হলেও শেষ পর্যন্ত সমতায় ফিরতে পারেনি আলমডাঙ্গা পৌরসভা।
ফলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ২-১ গোলে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টের ফাইনাল নিশ্চিত করে। ম্যাচে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রথম গোলদাতা শাকিল উৎস ম্যান অব দ্য ম্যাচ এবং আবুল বাশার সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম তারিক উজ জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আক্তারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাবেক খেলোয়াড়রা।
ম্যাচটি পরিচালনা করেন মেহেরপুর থেকে আগত রেফারি সোহেল রানা। সহকারী রেফারি ছিলেন লিটা হোসেন, পারভেজ ও জুয়েল। ম্যাচ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল মল্লিক। ধারাভাষ্য দেন ইসলাম রকিব ও শামিম খান।
আজ একই মাঠে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল ও দামুড়হুদা উপজেলা দল।
স্টাফ রিপোর্টার 


















