০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিবিআইয়ের সহায়তায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত

নিখোঁজের ৯ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঢাকার মাইজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের নয় দিন পর চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঢাকার লালবাগের মাইজ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মাথাভাঙ্গা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় মরদেহের পরনে কালো রঙের টি-শার্ট ছিল। শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় অজ্ঞাত ছিল। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঝিনাইদহ কার্যালয়ের বিশেষ দলের সহায়তায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

নিহত মাইজ উদ্দিন ঢাকার লালবাগ থানার রসুলবাগ এলাকার শামসু উদ্দিন ও নাজমা বেগমের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি জুতা তৈরির কারখানায় প্রায় আট থেকে নয় বছর ধরে কাজ করতেন। গত নয় দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারুফ রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পিবিআই ঝিনাইদহ টিমের সহযোগিতায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Tag :

হিমালয়ের হিমবাহে বাড়ছে ঝুঁকি, বিপদে বাংলাদেশসহ ৮ দেশ!

পিবিআইয়ের সহায়তায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত

নিখোঁজের ৯ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঢাকার মাইজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিখোঁজের নয় দিন পর চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঢাকার লালবাগের মাইজ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মাথাভাঙ্গা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় মরদেহের পরনে কালো রঙের টি-শার্ট ছিল। শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় অজ্ঞাত ছিল। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঝিনাইদহ কার্যালয়ের বিশেষ দলের সহায়তায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

নিহত মাইজ উদ্দিন ঢাকার লালবাগ থানার রসুলবাগ এলাকার শামসু উদ্দিন ও নাজমা বেগমের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি জুতা তৈরির কারখানায় প্রায় আট থেকে নয় বছর ধরে কাজ করতেন। গত নয় দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারুফ রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পিবিআই ঝিনাইদহ টিমের সহযোগিতায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।