
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্তে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দর্শনা সীমান্তবর্তী আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সড়কের ‘স্টার ইটভাটা’র সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন—
বিপ্লব (১৫), পিতা: আবু তালেব, গ্রাম: রঘুনাথপুর, দামুড়হুদা।
ইব্রাহীম, পিতা: মেহেরুল, গ্রাম: মাধবখালী, জীবননগর।
সায়েম (১৫), পিতা: রমজান, গ্রাম: খয়েরহুদা, জীবননগর।
আলম (১৭) (পাখিভ্যান চালক), গ্রাম: আকন্দবাড়িয়া।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল জয়নগর চেকপোস্টের দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি সীমান্ত সড়কের স্টার ইটভাটার কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যানের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং পাখিভ্যানটি উল্টে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। এতে উভয় যানে থাকা চারজনই সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে দর্শনা ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠায়।
দর্শনা ফায়ার সার্ভিসের লিডার মাসুদুর রহমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। চিকিৎসকদের মতে, আহত চারজনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সীমান্ত সড়কে যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত গতি ও অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আহতদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নাঈম উদ্দীন, স্টাফ রিপোর্টার 


















