০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটের মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে সোনালী ধানের শীষ

‎ লালমনিরহাটের মাঠে মাঠে এখন কৃষকের সোনালী স্বপ্ন বাতাসে দোল খাচ্ছে। সোনালী ধানের শীষে ভরে উঠেছে মাঠ। সেই সাথে রঙিন হয়ে উঠছে প্রান্তিক চাষিদের স্বপ্ন। মাঠ জুড়ে এখন সোনালী স্বপ্নের ছড়াছড়ি।

‎চলতি বৈশাখ মাস থেকে লালমনিরহাটের কৃষকেরা ধান কাটা শুরু করেছেন। জ্যৈষ্ঠ মাসে পুরোদমে ইরি-বোরো ধানের কাটা-মাড়াই শুরু করবেন তারা।

‎চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় অন্যান্য বছরের চেয়ে ইরি-বোরো আবাদ ভালো হয়েছে। আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

‎লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভা এলাকার মাঠগুলোতে যতদূর চোখ যায় চারদিকে শুধু সোনালী ফসলের সমারোহ। পুরো মাঠ যেন সোনালী রঙে সেজেছে।

‎মাঠে গেলে বাতাসের দোলে মন-প্রাণ জুড়িয়ে যায়। চলতি মৌসুমে মাঠে অন্য সব বছরের চেয়ে ধানের শীষ ভালো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এবার ধানের বাম্পার ফলন হবে।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের কৃষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূল এবং বিদ্যুৎ এর লোড শেডিং না থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

‎একই ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের হযরত আলী, হরিপদ রায় হরি ও কোদালখাতা গ্রামের কমল কান্তি বর্মন বলেন, প্রাকৃতিক কোন বড় ধরনের দূর্যোগ না হলে আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

‎ফুলগাছ ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, লালমনিরহাটে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তাই ফসল ভরা মাঠ সোনালী রঙে রঙ্গীন হয়েছে।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, লালমনিরহাটে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪৮হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ হয়েছে।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার সোহায়েল আহমেদ বলেন, ইরি-বোরো ধানের ক্ষেত সবুজে ভরে উঠেছে। কৃষি অফিস থেকে আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছি। মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের সময় মতো পরামর্শ দেওয়ায় ইরি-বোরো ক্ষেতে এবার রোগবালাই কম। তাই এবারও ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, এ মৌসুমে ৪৮হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ হয়েছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় আপ টু ড্রাই ক্লিনার্স এন্ড হোম সার্ভিস শোরুম উদ্বোধন

লালমনিরহাটের মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে সোনালী ধানের শীষ

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

‎ লালমনিরহাটের মাঠে মাঠে এখন কৃষকের সোনালী স্বপ্ন বাতাসে দোল খাচ্ছে। সোনালী ধানের শীষে ভরে উঠেছে মাঠ। সেই সাথে রঙিন হয়ে উঠছে প্রান্তিক চাষিদের স্বপ্ন। মাঠ জুড়ে এখন সোনালী স্বপ্নের ছড়াছড়ি।

‎চলতি বৈশাখ মাস থেকে লালমনিরহাটের কৃষকেরা ধান কাটা শুরু করেছেন। জ্যৈষ্ঠ মাসে পুরোদমে ইরি-বোরো ধানের কাটা-মাড়াই শুরু করবেন তারা।

‎চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় অন্যান্য বছরের চেয়ে ইরি-বোরো আবাদ ভালো হয়েছে। আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

‎লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভা এলাকার মাঠগুলোতে যতদূর চোখ যায় চারদিকে শুধু সোনালী ফসলের সমারোহ। পুরো মাঠ যেন সোনালী রঙে সেজেছে।

‎মাঠে গেলে বাতাসের দোলে মন-প্রাণ জুড়িয়ে যায়। চলতি মৌসুমে মাঠে অন্য সব বছরের চেয়ে ধানের শীষ ভালো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এবার ধানের বাম্পার ফলন হবে।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের কৃষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূল এবং বিদ্যুৎ এর লোড শেডিং না থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

‎একই ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের হযরত আলী, হরিপদ রায় হরি ও কোদালখাতা গ্রামের কমল কান্তি বর্মন বলেন, প্রাকৃতিক কোন বড় ধরনের দূর্যোগ না হলে আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

‎ফুলগাছ ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, লালমনিরহাটে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তাই ফসল ভরা মাঠ সোনালী রঙে রঙ্গীন হয়েছে।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, লালমনিরহাটে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪৮হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ হয়েছে।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার সোহায়েল আহমেদ বলেন, ইরি-বোরো ধানের ক্ষেত সবুজে ভরে উঠেছে। কৃষি অফিস থেকে আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছি। মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের সময় মতো পরামর্শ দেওয়ায় ইরি-বোরো ক্ষেতে এবার রোগবালাই কম। তাই এবারও ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, এ মৌসুমে ৪৮হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ হয়েছে।