১০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্বশত্রুতার জেরে চুয়াডাঙ্গায় যুবককে জবাই করে হত্যা

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছি গ্রামে ঘটেছে আরেকটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। সোমবার গভীর রাতে সোহেল (২৫) নামে এক যুবককে জবাই করে হত্যা করা হয়। নিহত সোহেল কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি বেলগাছি গ্রামের বকচরপাড়ার আশরাফুল হকের ছেলে।

আজ মঙ্গলবার সকালেই খরার মাঠ এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়।

নিহতের পরিবার জানায়, সোমবার বিকেলে সোহেল বাড়ি থেকে ঘাস কাটতে মাঠে যান। রাতে আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে মাঠেই পাওয়া যায় তার জবাই করা মরদেহ। বড় ভাই জুয়েলের দাবি, কয়েকদিন আগে গ্রামের জোয়াদ্দারপাড়ার ফারুক ও হারুনের সঙ্গে পেয়ারা খাওয়া নিয়ে সোহেলের বাগবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার জেরে তারা সোহেলের মাথায় কোপও মেরেছিল। পরিবারের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নৃশংস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ও সদর থানার ওসি খালেদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত নৃশংস হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিকভাবে পূর্বশত্রুতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ঘটনার সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। দ্রুতই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

পুলিশ ফারুক ও হারুনসহ সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে বলে জানায় পুলিশ।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

শেরপুরে ১১ স্বপ্ন সারথী পেলেন ব্র্যাকের সেলাই মেশিন

পূর্বশত্রুতার জেরে চুয়াডাঙ্গায় যুবককে জবাই করে হত্যা

আপডেট সময় : ০১:২৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছি গ্রামে ঘটেছে আরেকটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। সোমবার গভীর রাতে সোহেল (২৫) নামে এক যুবককে জবাই করে হত্যা করা হয়। নিহত সোহেল কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি বেলগাছি গ্রামের বকচরপাড়ার আশরাফুল হকের ছেলে।

আজ মঙ্গলবার সকালেই খরার মাঠ এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়।

নিহতের পরিবার জানায়, সোমবার বিকেলে সোহেল বাড়ি থেকে ঘাস কাটতে মাঠে যান। রাতে আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে মাঠেই পাওয়া যায় তার জবাই করা মরদেহ। বড় ভাই জুয়েলের দাবি, কয়েকদিন আগে গ্রামের জোয়াদ্দারপাড়ার ফারুক ও হারুনের সঙ্গে পেয়ারা খাওয়া নিয়ে সোহেলের বাগবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার জেরে তারা সোহেলের মাথায় কোপও মেরেছিল। পরিবারের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নৃশংস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ও সদর থানার ওসি খালেদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত নৃশংস হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিকভাবে পূর্বশত্রুতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ঘটনার সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। দ্রুতই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

পুলিশ ফারুক ও হারুনসহ সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে বলে জানায় পুলিশ।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।