১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি-২০২৫ উপলক্ষে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে শনিবার দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম সাইফুল্লাহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা, জেলা নির্বাচন অফিসার আহমেদ আলী, জীবননগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল হাসান। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার রাহুল রায় এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুর উল্লাহ।

নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এনআইডি ছাড়া দেশের কোনো নাগরিকই সরকারি-বেসরকারি সেবা পান না। একই সঙ্গে এনআইডিতে তথ্য ভুল থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। কিন্তু নির্ভুল এনআইডি করে এসব ভোগান্তি থেকে দূরে থাকা সম্ভব। যেসব নাগরিকেরা নতুন করে ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন, তারা অবশ্যই ফরম-২ শিক্ষা সনদ, জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে মিল রেখে পূরণ করবেন। তাহলে সঠিক ও নির্ভুল এনআইডি পাওয়া সম্ভব।

আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ এবং মৃত ভোটারদেরকে তালিকা থেকে কর্তনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করবেন। এরপর আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধন কেন্দ্রে নিবন্ধন (বায়োমেট্রিক গ্রহণসহ) কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে যাদের জন্ম অথবা বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন তাদেরকে তালিকায় যুক্ত করা হবে।

উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারদের নাম কর্তনের তথ্যাদি এবং নতুন ভোটারের তথ্য বাংলাদেশ ভোটার রেজিস্ট্রেশন সফটওয়্যারের (বিভিআরএস) সাহায্যে এন্ট্রি ও ডাটা আপলোড করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।

এ ছাড়া, আগামী ৫ মে তারিখের মধ্যে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত এবং সিএমএস (কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) পোর্টালে লিংক সরবরাহ করতে হবে। ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম এবং বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন তারা এবার ভোটার হতে পারবেন।

নিবন্ধনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পূরণ করা ফরম-২ এর সঙ্গে অনলাইন জন্মসনদ অথবা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাশের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এ ছাড়া, অন্যান্য কাগজপত্র যেমন- নাগরিক সনদ, প্রত্যয়নপত্র বা বাড়ি ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্স বা যে কোনো ইউটিলিটি বিল পরিশোধের রসিদের কপি জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

চুয়াডাঙ্গায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি-২০২৫ উপলক্ষে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে শনিবার দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম সাইফুল্লাহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা, জেলা নির্বাচন অফিসার আহমেদ আলী, জীবননগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল হাসান। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার রাহুল রায় এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুর উল্লাহ।

নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এনআইডি ছাড়া দেশের কোনো নাগরিকই সরকারি-বেসরকারি সেবা পান না। একই সঙ্গে এনআইডিতে তথ্য ভুল থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। কিন্তু নির্ভুল এনআইডি করে এসব ভোগান্তি থেকে দূরে থাকা সম্ভব। যেসব নাগরিকেরা নতুন করে ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন, তারা অবশ্যই ফরম-২ শিক্ষা সনদ, জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে মিল রেখে পূরণ করবেন। তাহলে সঠিক ও নির্ভুল এনআইডি পাওয়া সম্ভব।

আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ এবং মৃত ভোটারদেরকে তালিকা থেকে কর্তনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করবেন। এরপর আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধন কেন্দ্রে নিবন্ধন (বায়োমেট্রিক গ্রহণসহ) কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে যাদের জন্ম অথবা বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন তাদেরকে তালিকায় যুক্ত করা হবে।

উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারদের নাম কর্তনের তথ্যাদি এবং নতুন ভোটারের তথ্য বাংলাদেশ ভোটার রেজিস্ট্রেশন সফটওয়্যারের (বিভিআরএস) সাহায্যে এন্ট্রি ও ডাটা আপলোড করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।

এ ছাড়া, আগামী ৫ মে তারিখের মধ্যে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত এবং সিএমএস (কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) পোর্টালে লিংক সরবরাহ করতে হবে। ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম এবং বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন তারা এবার ভোটার হতে পারবেন।

নিবন্ধনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পূরণ করা ফরম-২ এর সঙ্গে অনলাইন জন্মসনদ অথবা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাশের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এ ছাড়া, অন্যান্য কাগজপত্র যেমন- নাগরিক সনদ, প্রত্যয়নপত্র বা বাড়ি ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্স বা যে কোনো ইউটিলিটি বিল পরিশোধের রসিদের কপি জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।