
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য, বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য যদি কোন রাজনৈতিক দল নিজের জীবন উৎসর্গ করে থাকে সেই দলের নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। বিএনপি যদি জেগে থাকে তাহলে কেউ বাংলাদেশ কেউ দখল করতে পারবে না। তিনি শনিবার বেলা ১১টার দিকে আলমডাঙ্গার হাজী মোড়ে বিএনপির এক মতবিনিময় সভায়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।শামসুজ্জামান দুদু আরও বলেন, এই আলমডাঙ্গা-চুয়াডাঙ্গা জেলা ধানের শীষের ঘাটি। এখানে কখনো জোর করে ছাড়া অন্য কোন প্রতিক জেতেনি। এই যে, একজন নির্বাচিত এমপি দাবী করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সে আমার কাছেও হারছে, আমার পরে যারা ভোটে দাঁড়িয়েছে, তাতের কাছে হারছে। হারছে কেনো? চুরি করার জন্য, মানুষের ক্ষতি করার জন্য, লুটপাট করার জন্য হারছে। বিএনপি কোন লুটপাট কারীদের দল না। বিএনপি চাঁদাবাজদের দল না। বিএনপি গণ মানুষের দল। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন বিএনপি দাবী করে কেউ যদি চাঁদাবাজী, দখলবাজী করে মানুষের ক্ষতি করে তাহলে তাকে ধরে পুলিশে দেবেন। বিএনপি এসব করে না। এই বিএনপি শহীদ জিয়া প্রতিষ্ঠা করেছেন। বেগম জিয়া এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং তারেক রহমান গত ১৮ বছর ধরে এটা রক্ষা করেছেন।তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আল্লাহ রক্ষা করেছে। প্রধানমন্ত্রী দাবিদার (শেখ হাসিনা) আরেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বলেছে মরে না কেনো। এত অশ্লীল নিম্নমানের মানুষ তাকে তাড়ানো ছাড়া পথ ছিল না। এখন আসল জায়গায় পড়েছে। কেউ কেউ বলে তিনি শশুর বাড়ি গেছেন। আমি তা বলবো না। আশেপাশে যদি কোন আওয়ামী লীগের কেউ থাকেন শুনে রাখেন আওয়ামী লীগের আর কোন ভবিষ্যৎ নেই।মতবিনিময় সভায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল কাওনাইন টিলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এসকে সাদী, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাবেক সদস্য আবু জাফর সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিরুল ইসলাম সেলিম, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাড. শামীম রেজা ডালিম, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ইফতেখারুজ্জামান লুডু, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আলা উদ্দিন, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি বোরহান উদ্দিন, জেলা যুবদলের সহসভাপতি আশরাফ বিশ^াস মিল্টু, মাগরিবুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুনজুরুল জাহিদ, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবীব মামুন।উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইফুল ইসলামের উপস্থাপনায় পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হক, পৌর কৃষকদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শওকত আলী, সাবেক বাড়াদি ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মধ্যে মহিনুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন, আব্দুল ওহাব মাস্টার, ইউনুস আলী, আব্দুল হালিম, তোজাম্মেল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদকের মধ্যে জমির উদ্দিন, সাহিবুল হক সন্টু, আসাদুজ্জামান রিমন, আক্তারুজ্জামান হাবলু, হাবিবুর রহমান, ডা. আক্তারুজ্জামান, আব্দুল হান্নান, মফিজ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রহিদুজ্জামান রহিত, শরিফুল ইসলাম মেম্বার, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফারুকুজ্জামান ফারুক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক জেড এম তৌফিক আজিজ খান, যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা, রাসেল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মিঠু বিশ^াস, উপজেলা যুবদল নেতা গাউসুল কাওনাইন সুষম, হাসান, মিশকা, আব্দুস সালাম, সুলতানুল আরেফিন তাইফু, সাদ্দাম, বিএনপি নেতা মহাবুল মেম্বার, চিনির উদ্দিন, লিয়াকত আলী, রশিদুল ইসলাম, সিতাব উদ্দিন, আব্দুল মালেক, ওয়াহেদ, আশরাফুল ইসলাম ডালিম, সুন্নত আলী, জাইদুল, শমসের আলী, পান্না চৌধুরী, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক সামিউল হাসান সানী, উপজেলা ছাত্রদল নেতা সাগর, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক লিখন, ছাত্রদল নেতা রাশেদ, সবুজ, সুমন, চপল, উপজেলা ও পৌর বিএনপি, সেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী। সূত্র: পশ্চিমাঞ্চল
বিশেষ সংবাদদাতা 












