০৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবননগরে বিয়ের পরদিন নববধূর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ছবি: সংগৃহিত

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুরে বিয়ের পরদিন মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও জামাকাপড় নিয়ে স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মো. মারুফ হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর ইউনিয়নের মাঝপাড়া এলাকার মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. মারুফ হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার ধোপাখালী বেপারীপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে মোছা. রুপা খাতুনের (১৮) গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিয়ে হয়।

মারুফ হোসেনের অভিযোগ, বিয়ের পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে তিনি জানতে পারেন, তাঁর বাড়িতে থাকা একটি মোবাইল ফোন, নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা ও কিছু জামাকাপড় নিয়ে রুপা খাতুন বাড়ি থেকে চলে গেছেন।

তিনি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে বাড়িতে গিয়ে মালামাল না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে রুপা খাতুনের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি বলে দাবি করেন।

অভিযোগে মারুফ হোসেন আরও উল্লেখ করেন, রুপা খাতুন ও তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তাঁদের অবস্থান সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

মারুফ হোসেনের অভিযোগ, রুপা খাতুন ও তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাক পরস্পর যোগসাজশ করে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। তাঁর দাবি, বিয়ের পর রুপা খাতুন মাত্র একদিন তাঁর সঙ্গে সংসার করেন এবং পরদিন বাড়ি থেকে মালামাল নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান।

মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য টিটো মিয়া বলেন, “ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। তবে মেয়েটি কীভাবে, কোথা থেকে এবং কখন চলে গেছে, তা জানি না।”

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :

জীবননগরে বিয়ের পরদিন নববধূর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুরে বিয়ের পরদিন মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও জামাকাপড় নিয়ে স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মো. মারুফ হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর ইউনিয়নের মাঝপাড়া এলাকার মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. মারুফ হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার ধোপাখালী বেপারীপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে মোছা. রুপা খাতুনের (১৮) গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিয়ে হয়।

মারুফ হোসেনের অভিযোগ, বিয়ের পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে তিনি জানতে পারেন, তাঁর বাড়িতে থাকা একটি মোবাইল ফোন, নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা ও কিছু জামাকাপড় নিয়ে রুপা খাতুন বাড়ি থেকে চলে গেছেন।

তিনি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে বাড়িতে গিয়ে মালামাল না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে রুপা খাতুনের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি বলে দাবি করেন।

অভিযোগে মারুফ হোসেন আরও উল্লেখ করেন, রুপা খাতুন ও তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তাঁদের অবস্থান সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

মারুফ হোসেনের অভিযোগ, রুপা খাতুন ও তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাক পরস্পর যোগসাজশ করে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। তাঁর দাবি, বিয়ের পর রুপা খাতুন মাত্র একদিন তাঁর সঙ্গে সংসার করেন এবং পরদিন বাড়ি থেকে মালামাল নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান।

মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য টিটো মিয়া বলেন, “ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। তবে মেয়েটি কীভাবে, কোথা থেকে এবং কখন চলে গেছে, তা জানি না।”

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”