০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালেশিয়াতে আত্মহত্যার ১৭ দিন পর বাড়ীতে পৌঁছেছে উজ্জলের মরদেহ

মালেশিয়াতে আত্মহত্যার ১৭ দিন পর উজ্জলের মরদেহ পৌঁছেছে তার নিজ বাড়ি মেহেরপুরের গাংনীতে।  মঙ্গলবার সকালের দিকে গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের জুগিন্দা গ্রামে এসে পৌঁছে উজ্জলের মরদেহ। উজ্জল জুগিন্দা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার সাহারুল ইসলামের ছেলে।

এর পূর্বে গত ২০ ডিসেম্বর দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের দিকে খবর আসে মালেশিয়াতে কর্মরত অবস্থায় কাজের সাইডে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে উজ্জল। এমন খবরে পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। অবশেষে ১৭ দিন পর সকল আইনী জটিলতা কাটিয়ে উজ্জলের মরদেহ তার নিজ বাড়িতে এসে পৌঁছে।

মালেশিয়াতে একই কোম্পানীতে কর্মরত অবস্থায় থাকা গাংনী উপজেলার পাকুড়ীয়া গ্রামের দুলাল জানান, ৭ মাস পূর্বে ঐ একই কোম্পানী ছেড়ে তিনি দেশে চলে আসেন। তিনি জানান, মালেশিয়াতে যে কোম্পানীতে তিনারা কাজ করতেন সেখানে বেতন কম, কাজ না থাকা, কঠোর পরিশ্রম, পরিশ্রম করে মাস শেষে নিয়মিত বেতন না পাওয়া, দেশে ঋণ করে যাওয়ার কারণে মানুষিক টেনশনসহ দেশে না ফিরতে পারিবারিক চাপের কারণেই উজ্জল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম মরদেহ দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রায় ১৭ দিন পর উজ্জলের মরদেহ গ্রামে এসে পৌঁছলে সকাল ১০ টার দিকে স্থানীয় গোরস্থানে উজ্জলের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ বয়সে উজ্জলের মৃত্যু বেদনাদায়ক।

এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় আপ টু ড্রাই ক্লিনার্স এন্ড হোম সার্ভিস শোরুম উদ্বোধন

মালেশিয়াতে আত্মহত্যার ১৭ দিন পর বাড়ীতে পৌঁছেছে উজ্জলের মরদেহ

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

মালেশিয়াতে আত্মহত্যার ১৭ দিন পর উজ্জলের মরদেহ পৌঁছেছে তার নিজ বাড়ি মেহেরপুরের গাংনীতে।  মঙ্গলবার সকালের দিকে গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের জুগিন্দা গ্রামে এসে পৌঁছে উজ্জলের মরদেহ। উজ্জল জুগিন্দা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার সাহারুল ইসলামের ছেলে।

এর পূর্বে গত ২০ ডিসেম্বর দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের দিকে খবর আসে মালেশিয়াতে কর্মরত অবস্থায় কাজের সাইডে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে উজ্জল। এমন খবরে পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। অবশেষে ১৭ দিন পর সকল আইনী জটিলতা কাটিয়ে উজ্জলের মরদেহ তার নিজ বাড়িতে এসে পৌঁছে।

মালেশিয়াতে একই কোম্পানীতে কর্মরত অবস্থায় থাকা গাংনী উপজেলার পাকুড়ীয়া গ্রামের দুলাল জানান, ৭ মাস পূর্বে ঐ একই কোম্পানী ছেড়ে তিনি দেশে চলে আসেন। তিনি জানান, মালেশিয়াতে যে কোম্পানীতে তিনারা কাজ করতেন সেখানে বেতন কম, কাজ না থাকা, কঠোর পরিশ্রম, পরিশ্রম করে মাস শেষে নিয়মিত বেতন না পাওয়া, দেশে ঋণ করে যাওয়ার কারণে মানুষিক টেনশনসহ দেশে না ফিরতে পারিবারিক চাপের কারণেই উজ্জল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম মরদেহ দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রায় ১৭ দিন পর উজ্জলের মরদেহ গ্রামে এসে পৌঁছলে সকাল ১০ টার দিকে স্থানীয় গোরস্থানে উজ্জলের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ বয়সে উজ্জলের মৃত্যু বেদনাদায়ক।