
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম. এ. খালেককে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে মেহেরপুরের গাংনী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জয়নগর ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, এম. এ. খালেক গাংনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোজাহার আলী বিশ্বাসের ছেলে। চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসায় ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। এ সময় পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও মামলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
এরপর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে মেহেরপুর ডিবি পুলিশের একটি দল জয়নগর চেকপোস্টে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে মেহেরপুরে নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে এম. এ. খালেকের ছেলে আসিফ রেজা জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। হৃদ্যন্ত্রে ব্লক থাকায় বাইপাস সার্জারির জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছিল। তার দাবি, বাবার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে তিনি জামিনে রয়েছেন।
সূত্র জানায়, এম. এ. খালেকের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির নম্বর ১৫।
দর্শনা ইমিগ্রেশন অফিসার এএসআই তারেক জানান, সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকালে পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করে এম. এ. খালেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও মামলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। বেলা ১১টার দিকে তাকে আটক করে দর্শনা থানা পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে দর্শনা থানা পুলিশ তাকে মেহেরপুরের গাংনী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
স্টাফ রিপোর্টার 


















