০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চাঁদনীর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চাঁদনী খাতুন (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর বুধবার বিকেলে নগরবোয়ালিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

গত ১২ সেপ্টেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর চাঁদনী খাতুনকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর প্রথমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে অজ্ঞাতনামা নারী হিসেবে তাঁর মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়। পরে হাসপাতালের ভিডিও ফুটেজ দেখে তাঁর বাবা ছবিরুল ইসলাম মেয়েকে শনাক্ত করেন। এরপর তিনি হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে মরদেহ তাঁদের নিজ বাড়ি হাটবোয়ালিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর চাঁদনী খাতুন দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তিনি আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন স্টেশনপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

চাঁদনী খাতুন ১২ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর সাবেক স্বামী আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটুভাঙ্গা গ্রামে বসবাস করেন। সন্তানটি বর্তমানে বাবার কাছেই রয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার বাদ আসর নগরবোয়ালিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে চাঁদনী খাতুনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানেই তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরাইল বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তে কারও দায় বা অন্য কোনো বিষয় পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :

আলমডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চাঁদনীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চাঁদনী খাতুন (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর বুধবার বিকেলে নগরবোয়ালিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

গত ১২ সেপ্টেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর চাঁদনী খাতুনকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর প্রথমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে অজ্ঞাতনামা নারী হিসেবে তাঁর মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়। পরে হাসপাতালের ভিডিও ফুটেজ দেখে তাঁর বাবা ছবিরুল ইসলাম মেয়েকে শনাক্ত করেন। এরপর তিনি হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে মরদেহ তাঁদের নিজ বাড়ি হাটবোয়ালিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর চাঁদনী খাতুন দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তিনি আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন স্টেশনপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

চাঁদনী খাতুন ১২ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর সাবেক স্বামী আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটুভাঙ্গা গ্রামে বসবাস করেন। সন্তানটি বর্তমানে বাবার কাছেই রয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার বাদ আসর নগরবোয়ালিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে চাঁদনী খাতুনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানেই তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরাইল বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তে কারও দায় বা অন্য কোনো বিষয় পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”