
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নে কুশোডাঙ্গা গ্রামে সড়কে গাছ ফেলে ব্যারিকেড তৈরী করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এসময় এক ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে আটকের পর গ্রামবাসীরা গণধোলাই দেয়। বাকি ছিনতাইকারী সদস্যরা পালিয়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে কুশোডাঙ্গা-নীমতলা সড়কের মাঝামাঝি স্থানে মুড়োতলার মাঠ নামকস্থানে এঘটনা ঘটে। গণপিটুনির শিকার ছিনতাইকারীর নাম সুমন (৩৫)। তিনি কুষ্টিয়া সদর থানাধীন আমলাপাড়ার মৃত. ফরহাদ হোসেনের ছেলে।
পদ্মবিলা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড (ইউপি) সদস্য হুমায়ন কবির বলেন, মুড়োতলার মাঠে সড়কে একটি গাছ ফেলে ব্যারিকেট দেয় ৫-৬ জনের একটি ছিনতাইকারী দল। তারা কয়েকজনের থেকে ৬-৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে জেনেছি।
তিনি আরও বলেন, কুশোডাঙ্গা গ্রামে এক ব্যক্তির জানাযার নামায শেষে ওই সড়ক দিয়ে পাখভ্যান যোগে কয়েকজন বাড়ি ফিরছিলেন। ছিনতাইকারীরা পাখিভ্যানের গতিরোধ করলে পাখিভ্যানের যাত্রীরা বিষয়টি বুঝতে পারে। পরে ছিনতাইকারীদের থেকে যাত্রীরা বেশি হওয়ায় তাদেরকে ধাওয়া করে। পরে একজনকে ধরতে পারলেও বাকিরা পালিয়ে যায়। মুহুর্তে বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌছে ওই ছিনতাইকারীকে উত্তম মধ্যম দেয়। পরে সদর থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান লালন বলেন, সড়কে গাছ দিয়ে ব্যারিকেট সৃষ্টি করে কয়েকজনের একটি দল ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালাই। পরে গ্রামবাসীরা একজনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক ডা. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গতকাল রাতে আহত অবস্থায় পুলিশ একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য কোন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হতে পারে।
প্রতিনিধির নাম 












