০৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ২ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ) বিকেলে ও সন্ধ্যায় দর্শনা থানা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে দুই হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস দল আজ বিকেল ৪:২৫ ঘটিকায় দর্শনা রেলবাজারের মজিদ মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) আশিকুর রহমান এবং এসআই সৌমিত্র সাহার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম ‘বাবু এর খেলনা দোকান’-এ তল্লাশি চালায়।

এ সময় খেলনা বিক্রির আড়ালে মাদক ব্যবসার অভিযোগে মোঃ আব্দুর রউফ ওরফে বাবু (৫০)-কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীর হেফাজত থেকে ২০০০ (দুই হাজার) পিস অবৈধ নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত বাবু দর্শনা ইসলাম বাজার এলাকার মৃত রস্তম আলীর ছেলে।

প্রথম অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই সন্ধ্যা ৬:১৫ ঘটিকায় দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ফুলতলাপাড়া গ্রামে দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এসআই সৌমিত্র সাহা ও এসআই আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ মোঃ বাবু প্রধান (৪২) নামে এক ব্যক্তির বসত বাড়িতে হানা দেয়।

বাড়ির উঠানে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২০ (বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ওই গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিন প্রধানের ছেলে।

উভয় অভিযানে এসআই আশিকুর রহমান ও এসআই সৌমিত্র সাহার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন এসআই (নিঃ) মোঃ আশরাফুল ইসলাম, এএসআই মোঃ আবু আল ইমরান, এএসআই মোঃ মোত্তালেব হোসেনসহ ডিবি’র সঙ্গীয় ফোর্স।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দর্শনা থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, জেলার সকল ইউনিটে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান একযোগে চলমান রয়েছে।

যুব সমাজকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করতে এ ধরণের সাঁড়াশি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।

Tag :
এখন আলোচনায়

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ২ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

আপডেট সময় : ১০:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ) বিকেলে ও সন্ধ্যায় দর্শনা থানা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে দুই হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস দল আজ বিকেল ৪:২৫ ঘটিকায় দর্শনা রেলবাজারের মজিদ মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) আশিকুর রহমান এবং এসআই সৌমিত্র সাহার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম ‘বাবু এর খেলনা দোকান’-এ তল্লাশি চালায়।

এ সময় খেলনা বিক্রির আড়ালে মাদক ব্যবসার অভিযোগে মোঃ আব্দুর রউফ ওরফে বাবু (৫০)-কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীর হেফাজত থেকে ২০০০ (দুই হাজার) পিস অবৈধ নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত বাবু দর্শনা ইসলাম বাজার এলাকার মৃত রস্তম আলীর ছেলে।

প্রথম অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই সন্ধ্যা ৬:১৫ ঘটিকায় দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ফুলতলাপাড়া গ্রামে দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এসআই সৌমিত্র সাহা ও এসআই আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ মোঃ বাবু প্রধান (৪২) নামে এক ব্যক্তির বসত বাড়িতে হানা দেয়।

বাড়ির উঠানে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২০ (বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ওই গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিন প্রধানের ছেলে।

উভয় অভিযানে এসআই আশিকুর রহমান ও এসআই সৌমিত্র সাহার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন এসআই (নিঃ) মোঃ আশরাফুল ইসলাম, এএসআই মোঃ আবু আল ইমরান, এএসআই মোঃ মোত্তালেব হোসেনসহ ডিবি’র সঙ্গীয় ফোর্স।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দর্শনা থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, জেলার সকল ইউনিটে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান একযোগে চলমান রয়েছে।

যুব সমাজকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করতে এ ধরণের সাঁড়াশি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।