১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩ মামলায় ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায়

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, তামাক নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ওষুধ বিক্রয় নিশ্চিত করতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলায় বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৭টি সফল অভিযান চালিয়ে আইন অমান্য করায় ৩টি মামলায় ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

লালমনিরহাট ​জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার তানভীর আহমেদ ও মোঃ খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ এর আওতায় এই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

​অভিযানের মূল দিকসমূহ- ভোক্তা অধিকার ও তামাক নিয়ন্ত্রণ: অভিযানে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার আইন যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না তা কঠোরভাবে পরিদর্শন করা হয়। এছাড়া জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হয়। আইন লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট ৩টি মামলায় মোট ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ফার্মেসিগুলোতে কড়াকড়ি: জেলা প্রশাসনের টিম বিভিন্ন ফার্মেসি পরিদর্শন করে ওষুধের মান ও সংরক্ষণের বিষয়টি যাচাই করে। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রয় বা মজুদ না রাখার জন্য ওষুধ ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় এবং আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

লাইসেন্স গ্রহণের তাগিদ: জেলার রড, সিমেন্ট, লোহা ও ইটসহ নির্মাণ সামগ্রীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের বৈধ ডিলিং লাইসেন্স থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। যেসব ব্যবসায়ীর লাইসেন্স নেই, তাদের দ্রুত লাইসেন্স গ্রহণ করে আইনসম্মতভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য জোর তাগিদ দেওয়া হয়।

​ভবিষ্যৎ কার্যক্রম: জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থ রক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, তামাক নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ওষুধ বিক্রয় নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ও কঠোর তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​জেলা প্রশাসনের এই বিশেষ তৎপরতা ব্যবসায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সচেতন নাগরিকরা।

Tag :
এখন আলোচনায়

কর্মস্থলে অনুপস্থিত দামুড়হুদা ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী, সেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে ১০ হাজার পরিবার

লালমনিরহাটে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩ মামলায় ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায়

আপডেট সময় : ১১:৩২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, তামাক নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ওষুধ বিক্রয় নিশ্চিত করতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলায় বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৭টি সফল অভিযান চালিয়ে আইন অমান্য করায় ৩টি মামলায় ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

লালমনিরহাট ​জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার তানভীর আহমেদ ও মোঃ খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ এর আওতায় এই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

​অভিযানের মূল দিকসমূহ- ভোক্তা অধিকার ও তামাক নিয়ন্ত্রণ: অভিযানে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার আইন যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না তা কঠোরভাবে পরিদর্শন করা হয়। এছাড়া জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হয়। আইন লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট ৩টি মামলায় মোট ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ফার্মেসিগুলোতে কড়াকড়ি: জেলা প্রশাসনের টিম বিভিন্ন ফার্মেসি পরিদর্শন করে ওষুধের মান ও সংরক্ষণের বিষয়টি যাচাই করে। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রয় বা মজুদ না রাখার জন্য ওষুধ ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় এবং আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

লাইসেন্স গ্রহণের তাগিদ: জেলার রড, সিমেন্ট, লোহা ও ইটসহ নির্মাণ সামগ্রীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের বৈধ ডিলিং লাইসেন্স থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। যেসব ব্যবসায়ীর লাইসেন্স নেই, তাদের দ্রুত লাইসেন্স গ্রহণ করে আইনসম্মতভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য জোর তাগিদ দেওয়া হয়।

​ভবিষ্যৎ কার্যক্রম: জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থ রক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, তামাক নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ওষুধ বিক্রয় নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ও কঠোর তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​জেলা প্রশাসনের এই বিশেষ তৎপরতা ব্যবসায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সচেতন নাগরিকরা।