০৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক সচিব কাজী শরিফুল ইসলামের ৫ বছরের কারাদণ্ড

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক সচিব (বর্তমানে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা) কাজী শরিফুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৪ মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুসরাত জেরীন আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। রায় ঘোষনার পর আসামীকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ইপিআই সুপারভাইজার
আফরোজা পারভীন একই পৌরসভার সচিব কাজী শরিফুল ইসলামকে আসামি করে
২০১৬ সালের ১৬ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় ২০১৬ সালের ১২ জুলাই কাজী শরিফুল ইসলাম ওই ইপিআই সুপারভাইজারকে তাঁর কক্ষে একা পেয়ে জাপটে ধরেন এবং ইচ্ছার বিরদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে সচিব কিলঘুষি মেরে ইপিআই সুপারভাইজারকে জখম করেন। পরে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এঘটনায় আফরোজা পারভীন বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বাক্ষ্যগ্রহনের পর আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক সচিব কাজী শরিফুল ইসলামের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক সচিব (বর্তমানে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা) কাজী শরিফুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৪ মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুসরাত জেরীন আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। রায় ঘোষনার পর আসামীকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ইপিআই সুপারভাইজার
আফরোজা পারভীন একই পৌরসভার সচিব কাজী শরিফুল ইসলামকে আসামি করে
২০১৬ সালের ১৬ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় ২০১৬ সালের ১২ জুলাই কাজী শরিফুল ইসলাম ওই ইপিআই সুপারভাইজারকে তাঁর কক্ষে একা পেয়ে জাপটে ধরেন এবং ইচ্ছার বিরদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে সচিব কিলঘুষি মেরে ইপিআই সুপারভাইজারকে জখম করেন। পরে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এঘটনায় আফরোজা পারভীন বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বাক্ষ্যগ্রহনের পর আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।