০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে নিষিদ্ধ প্রসাধনী জব্দ; ২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২হাজার টাকা জরিমানা

লালমনিরহাটে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অবৈধ ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রসাধনী বিরোধী অভিযান চালিয়েছে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন।

রোববার (২১ জুন) লালমনিরহাট শহরের পাইকারি কসমেটিকস প্রতিষ্ঠান মীম এন্টারপ্রাইজ ও রাফি এন্টারপ্রাইজ-এ যৌথ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

​অভিযানটি পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মীর ফয়সাল আলী এবং মোঃ মামুনুর রশিদ।

​অভিযানের বিবরণে ​জব্দকৃত পণ্য: অভিযানকালে প্রতিষ্ঠান ২টি থেকে চোরাই পথে আসা আমদানিকারকের তথ্য বিহীন বিপুল পরিমাণ বিদেশি প্রসাধনী জব্দ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সরকার ঘোষিত জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর নিষিদ্ধ রঙ ফর্সাকারী ক্রিম।

​অর্থদণ্ড: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মোতাবেক অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠান ২টিকে মোট ১২হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

​জব্দকৃত সকল নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর রঙ ফর্সাকারী ক্রিম অভিযানস্থলে উপস্থিত সর্বসাধারণের সম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

​জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় ক্ষতিকর ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :
এখন আলোচনায়

কর্মস্থলে অনুপস্থিত দামুড়হুদা ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী, সেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে ১০ হাজার পরিবার

লালমনিরহাটে নিষিদ্ধ প্রসাধনী জব্দ; ২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ১১:২৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

লালমনিরহাটে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অবৈধ ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রসাধনী বিরোধী অভিযান চালিয়েছে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন।

রোববার (২১ জুন) লালমনিরহাট শহরের পাইকারি কসমেটিকস প্রতিষ্ঠান মীম এন্টারপ্রাইজ ও রাফি এন্টারপ্রাইজ-এ যৌথ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

​অভিযানটি পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মীর ফয়সাল আলী এবং মোঃ মামুনুর রশিদ।

​অভিযানের বিবরণে ​জব্দকৃত পণ্য: অভিযানকালে প্রতিষ্ঠান ২টি থেকে চোরাই পথে আসা আমদানিকারকের তথ্য বিহীন বিপুল পরিমাণ বিদেশি প্রসাধনী জব্দ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সরকার ঘোষিত জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর নিষিদ্ধ রঙ ফর্সাকারী ক্রিম।

​অর্থদণ্ড: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মোতাবেক অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠান ২টিকে মোট ১২হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

​জব্দকৃত সকল নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর রঙ ফর্সাকারী ক্রিম অভিযানস্থলে উপস্থিত সর্বসাধারণের সম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

​জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় ক্ষতিকর ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।