১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চুয়াডাঙ্গার হিমালয় ইটভাটায় শ্রমিকের লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা

বিচারের দাবিতে এলাকাবাসির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

চুয়াডাঙ্গার উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামে হিমালয় ইটভাটার একটি জলাবদ্ধের মধ্যে থেকে শান্ত (১৫) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। সোমবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্ত আলী জালশুকা গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে এবং হিমালয় ইটভাটার শ্রমিক ছিল। শান্তর মৃত্যুকে হত্যা দাবি করছে তার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসি। এ ঘটনায় ০২ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে শান্তর মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। শান্তকে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবিতে এলাকাবাসি শান্তর মরদেহ নিয়ে প্রথমে নিজ এলাকায় বিক্ষোভ করে। পরবর্তীতে বিক্ষোভসহকারে চুয়াডাঙ্গা শহরে যায় এবং শহরের শহীদ হাসান চত্বরে মানববন্ধন করে। অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে গ্রামবাসি।

শান্তর পরিবারের দাবি, শান্ত হিমালয় ইটভাটার শ্রমিক। প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার কাজে যায় শান্ত। ইটভাটার গ্যাসের পাইপলাইন পরিস্কার করার জন্য শান্ত সেখানে যায়। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ইটভাটা মালিক তার লোকজনদের দিয়ে শান্তর মরদেহ ইটভাটার মধ্যে একটি জলাবদ্ধের মধ্যে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে তারা অপপ্রচার চালায় শান্ত পানিতে ডুবে মারা গেছে। পরিবারের লোকজনের আরও দাবি, শান্ত কেন পানিতে ডুবে মারা যাবে? সে তো অনেক ছোট থেকেই সাতার জানতো।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিছুজ্জামান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে বোঝা যাবে এটা হত্যা কি-না।

Tag :
এখন আলোচনায়

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ‘দর্শনা ডিলাক্স’ বাস খাদে: নিহত ৩, আহত ১৬

চুয়াডাঙ্গার হিমালয় ইটভাটায় শ্রমিকের লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা

বিচারের দাবিতে এলাকাবাসির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

চুয়াডাঙ্গার উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামে হিমালয় ইটভাটার একটি জলাবদ্ধের মধ্যে থেকে শান্ত (১৫) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। সোমবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্ত আলী জালশুকা গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে এবং হিমালয় ইটভাটার শ্রমিক ছিল। শান্তর মৃত্যুকে হত্যা দাবি করছে তার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসি। এ ঘটনায় ০২ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে শান্তর মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। শান্তকে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবিতে এলাকাবাসি শান্তর মরদেহ নিয়ে প্রথমে নিজ এলাকায় বিক্ষোভ করে। পরবর্তীতে বিক্ষোভসহকারে চুয়াডাঙ্গা শহরে যায় এবং শহরের শহীদ হাসান চত্বরে মানববন্ধন করে। অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে গ্রামবাসি।

শান্তর পরিবারের দাবি, শান্ত হিমালয় ইটভাটার শ্রমিক। প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার কাজে যায় শান্ত। ইটভাটার গ্যাসের পাইপলাইন পরিস্কার করার জন্য শান্ত সেখানে যায়। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ইটভাটা মালিক তার লোকজনদের দিয়ে শান্তর মরদেহ ইটভাটার মধ্যে একটি জলাবদ্ধের মধ্যে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে তারা অপপ্রচার চালায় শান্ত পানিতে ডুবে মারা গেছে। পরিবারের লোকজনের আরও দাবি, শান্ত কেন পানিতে ডুবে মারা যাবে? সে তো অনেক ছোট থেকেই সাতার জানতো।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিছুজ্জামান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে বোঝা যাবে এটা হত্যা কি-না।