০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলছে ২টি সীমান্ত পারাপারঃ তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু ৪০ হাজার ছাড়াল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১২৩ Time View

অনলাইন  ডেস্ক: সিরিয়া ও তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পে পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্পে সিরিয়ায় এখন পর্যন্ত ৫৭০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তুরস্কে এরইমধ্যে মৃতের সংখ্যা ৩১,০০০ ছাড়িয়েছে।

তুরস্কে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, সিরিয়ায় এ সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

দুই দেশেরই উদ্ধারকারী দলগুলো এখন বিস্তীর্ণ এলাকায় উদ্ধারকাজ গুটিয়ে আনছে। কারণ জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

জাতিসংঘ বলছে, গত সপ্তাহের মারাত্মক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দেশটিতে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে আরও দুটি সীমান্ত পারাপার খুলতে রাজি হয়েছে সিরিয়ার সরকার।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এটি একটি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। আমরা এখন পর্যন্ত একটি সীমান্ত পারাপার ব্যবহার করছি।

অনেক সিরীয় নাগরিক তাদের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে সহায়তা না পৌঁছানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হওয়ার জন্য দেশটির উপর আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করেছে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক সাহায্য গোষ্ঠীগুলো বলছে, আসাদ সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং দেশের সব এলাকায় উদ্ধারকাজে সংযুক্ত না হওয়াটাই মূল প্রতিবন্ধকতা।

সোমবার দামেস্কে প্রেসিডেন্ট আসাদের সাথে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর জাতিসংঘ নতুন দুটি সীমান্ত পারাপার খুলে দেয়ার এ ঘোষণা দিয়েছে। এগুলো হচ্ছে তুরস্কের সীমান্তের সাথে থাকা বাব আল-সালাম এবং আল রাই সীমান্ত পারাপার। এতে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় সীমান্ত পারাপার প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য খোলা থাকবে।

Tag :
এখন আলোচনায়

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

খুলছে ২টি সীমান্ত পারাপারঃ তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু ৪০ হাজার ছাড়াল

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন  ডেস্ক: সিরিয়া ও তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পে পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্পে সিরিয়ায় এখন পর্যন্ত ৫৭০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তুরস্কে এরইমধ্যে মৃতের সংখ্যা ৩১,০০০ ছাড়িয়েছে।

তুরস্কে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, সিরিয়ায় এ সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

দুই দেশেরই উদ্ধারকারী দলগুলো এখন বিস্তীর্ণ এলাকায় উদ্ধারকাজ গুটিয়ে আনছে। কারণ জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

জাতিসংঘ বলছে, গত সপ্তাহের মারাত্মক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দেশটিতে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে আরও দুটি সীমান্ত পারাপার খুলতে রাজি হয়েছে সিরিয়ার সরকার।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এটি একটি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। আমরা এখন পর্যন্ত একটি সীমান্ত পারাপার ব্যবহার করছি।

অনেক সিরীয় নাগরিক তাদের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে সহায়তা না পৌঁছানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হওয়ার জন্য দেশটির উপর আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করেছে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক সাহায্য গোষ্ঠীগুলো বলছে, আসাদ সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং দেশের সব এলাকায় উদ্ধারকাজে সংযুক্ত না হওয়াটাই মূল প্রতিবন্ধকতা।

সোমবার দামেস্কে প্রেসিডেন্ট আসাদের সাথে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর জাতিসংঘ নতুন দুটি সীমান্ত পারাপার খুলে দেয়ার এ ঘোষণা দিয়েছে। এগুলো হচ্ছে তুরস্কের সীমান্তের সাথে থাকা বাব আল-সালাম এবং আল রাই সীমান্ত পারাপার। এতে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় সীমান্ত পারাপার প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য খোলা থাকবে।