০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবৈধ নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্টপুর-মদনা ইউনিয়নে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরবর্তী সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে দর্শনা পৌর এলাকার ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম। পারকৃষ্টপুর-মদনা ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় পরিচালিত এ উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে নদীর তীরবর্তী সরকারি জমি দখল করে নির্মাণাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম বলেন, “সরকারি সম্পত্তি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি জমি রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

উপজেলা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালিত হলে নদী তীরবর্তী দখলদারিত্ব অনেকাংশে কমে আসবে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চালকের বদলে স্টিয়ারিংয়ে হেল্পার, দামুড়হুদায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিউ মডার্ন বাসের দুর্ঘটনা

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবৈধ নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ১০:১৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্টপুর-মদনা ইউনিয়নে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরবর্তী সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে দর্শনা পৌর এলাকার ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম। পারকৃষ্টপুর-মদনা ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় পরিচালিত এ উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে নদীর তীরবর্তী সরকারি জমি দখল করে নির্মাণাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম বলেন, “সরকারি সম্পত্তি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি জমি রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

উপজেলা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালিত হলে নদী তীরবর্তী দখলদারিত্ব অনেকাংশে কমে আসবে।