০৭:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে আম গাছে ঝুলছে চাষিদের স্বপ্ন

‎ পল্লীকবি জসীম উদ্দিন-এঁর “মামার বাড়ি” কবিতার পংক্তিগুলো লালমনিরহাটের আম বাগানগুলোতে বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রতিটি বাড়িতে কমপক্ষে ৫/১০টি আম গাছ রয়েছে। আসা করা যাচ্ছে গাছগুলোতে এবারে প্রচুর ফলন হবে এতে করে সবাই আম খেতে পারবে।

‎তাইতো লালমনিরহাটে আম গাছে ঝুলছে চাষিদের স্বপ্ন। লালমনিরহাট জেলার আম বাগানগুলোর গাছে গাছে চাষিদের স্বপ্নগুলো ঝুলে আছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এ বছর আম বিক্রি করে লাভবান হওয়ার আশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছেন আম চাষিরা।

‎সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আম বাগানগুলোর গাছে গাছে ব্যাপক পরিমানে আম ঝুলছে। এই জেলার চাষিরা বিভিন্ন ধরনের আমের চাষ করেছেন।

‎লালমনিরহাটে নানান জাতের আমের চাষ হয়েছে। অন্যান্য আমের তুলনায় এখানে আম্রপালির চাষ হয় বেশি। পোকার কিছুটা আক্রমন থাকলেও গাছের কোনো রোগবালাই নেই।

‎গত বছর আমের বাজারদর ভালো থাকায় চাষিরা এ বছর আরও বেশি পরিমানে চাষ করেছেন। এ বছরও আমের বাম্পার ফলন ও ভালো বাজারদর পেয়ে লাভের স্বপ্ন দেখছেন জেলার চাষিরা।

‎আম চাষীরা জানান, আমরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী বাগানে বালাইনাশক ব্যবহার করেছি। এছাড়াও গাছের বাড়তি যত্ন নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই এক সপ্তাহের মধ্যেই আম পাকতে দেখা যাবে।

‎চাষিরা আরও জানান, এ বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হওয়ায় আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। আশা করছি আমের দাম ও ভালো পাওয়া যাবে।

‎উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, ব্যাপক জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। এ মৌসুমের আবহাওয়া আম চাষের উপযোগী হওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে। আমরা ইতিপূর্বে আম চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করছি।

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটে ফুয়েল কার্ডের তেল নিতে গিয়ে ইউএনও’র হাতে মার খেলেন মোটর সাইকেলবাহী যুবক

লালমনিরহাটে আম গাছে ঝুলছে চাষিদের স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১১:৩১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

‎ পল্লীকবি জসীম উদ্দিন-এঁর “মামার বাড়ি” কবিতার পংক্তিগুলো লালমনিরহাটের আম বাগানগুলোতে বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রতিটি বাড়িতে কমপক্ষে ৫/১০টি আম গাছ রয়েছে। আসা করা যাচ্ছে গাছগুলোতে এবারে প্রচুর ফলন হবে এতে করে সবাই আম খেতে পারবে।

‎তাইতো লালমনিরহাটে আম গাছে ঝুলছে চাষিদের স্বপ্ন। লালমনিরহাট জেলার আম বাগানগুলোর গাছে গাছে চাষিদের স্বপ্নগুলো ঝুলে আছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এ বছর আম বিক্রি করে লাভবান হওয়ার আশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছেন আম চাষিরা।

‎সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আম বাগানগুলোর গাছে গাছে ব্যাপক পরিমানে আম ঝুলছে। এই জেলার চাষিরা বিভিন্ন ধরনের আমের চাষ করেছেন।

‎লালমনিরহাটে নানান জাতের আমের চাষ হয়েছে। অন্যান্য আমের তুলনায় এখানে আম্রপালির চাষ হয় বেশি। পোকার কিছুটা আক্রমন থাকলেও গাছের কোনো রোগবালাই নেই।

‎গত বছর আমের বাজারদর ভালো থাকায় চাষিরা এ বছর আরও বেশি পরিমানে চাষ করেছেন। এ বছরও আমের বাম্পার ফলন ও ভালো বাজারদর পেয়ে লাভের স্বপ্ন দেখছেন জেলার চাষিরা।

‎আম চাষীরা জানান, আমরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী বাগানে বালাইনাশক ব্যবহার করেছি। এছাড়াও গাছের বাড়তি যত্ন নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই এক সপ্তাহের মধ্যেই আম পাকতে দেখা যাবে।

‎চাষিরা আরও জানান, এ বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হওয়ায় আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। আশা করছি আমের দাম ও ভালো পাওয়া যাবে।

‎উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, ব্যাপক জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। এ মৌসুমের আবহাওয়া আম চাষের উপযোগী হওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে। আমরা ইতিপূর্বে আম চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করছি।