
স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং অবৈধ যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথ বাহিনী। শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল জুড়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনটি মামলা দায়ের এবং নগদ ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
শনিবার বিকেল থেকে যৌথ বাহিনীর একটি দল জীবননগর পৌর শহরের বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে অবস্থান নেয়। বিশেষ করে জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জীবননগর-কালীগঞ্জ মহাসড়কের সংযোগস্থলগুলোতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
অভিযান চলাকালীন মোটরসাইকেল চালকদের হেলমেট ব্যবহার, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং গাড়ির হালনাগাদ রেজিস্ট্রেশন কাগজপত্র যাচাই করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, চালকরা হেলমেট ছাড়াই দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখছিলেন না।
এই বিশেষ অভিযানে যৌথ বাহিনীর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম।
তাকে কারিগরি ও আইনি সহায়তা প্রদান করেন:
আবুল আজাদ ইব্রাহিম, চুয়াডাঙ্গা ট্রাফিক সার্জেন্ট (টিএসআই)।
মোঃ হাবিব, এসআই, জীবননগর থানা।
যৌথ বাহিনীর সদস্যরা কয়েক ডজন মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৩টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনাস্থলেই অভিযুক্ত চালকদের কাছ থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। এছাড়াও বেশ কিছু চালককে সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
যৌথ বাহিনী সূত্রে জানানো হয়েছে, জীবননগর উপজেলায় ইদানীং লাইসেন্সবিহীন চালক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ধরনের কঠোর অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম সংবাদমাধ্যমকে জানান, “সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। কোনোভাবেই অবৈধ যানবাহন এবং লাইসেন্সবিহীন চালকদের ছাড় দেওয়া হবে না।”
মোঃ নাঈম উদ্দীন 












