
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিশাল “নির্বাচনী জনসভায়” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা এই দেশবাসীর কাছেই আশ্রয় চাই। মানুষ তোমাদের অনেক দেখেছে এখন বিশ্রামে যাও; এবার আমাদের একটু সুযোগ দাও।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ হেলিপ্যাড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিস্তা নিয়ে তিনি বলেন, এই তিস্তা এই অঞ্চলের মানুষের নিয়ামত ও অহংকার হওয়ার কথা ছিলো, এখন তিস্তার নাম এক সাগর দুঃখ। আমরা কথা দিচ্ছি, এই তিস্তাকে জীবন দিবো, ইনশাআল্লাহ। এটি কঙ্কাল আর মরুভূমি থাকবেনা। এই তিস্তা হবে উত্তরের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকে হাইড্রোপাওয়ার হবে। এখান থেকে সারা উত্তরাঞ্চল উর্বর হবে। নদী ভাঙ্গণের কবলে পড়ে বছরের পর বছরের হাজার হাজার মানুষকে নিঃস্ব হতে হবেনা। আমরা কথা দিচ্ছি, যে কোন মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে। কারও লাল চোখ আমরা পড়োয়া করবোনা। এ দেশ আগে। এ দেশের জনগণের স্বার্থ আগে।
তিনি বলেন, আমরা কথা দিচ্ছি ক্ষমতায় গেলে কর্মস্থলে মা-বোনদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।
এ সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করবো। তখন কর্মসংস্থান যেমন হবে, তখন আমাদের উৎপাদিত ফসল, বিদেশে রপ্তানি করা হবে। নারী-পুরুষরা কাজ পাবে, সেই দিন কেউ আর বেকার থাকবে না। দোয়া করবেন কথা দিচ্ছি।
১২ তারিখ নির্ধারণ করবে ১৩ তারিখ নতুন সূর্যের উল্লেখ করে জামায়াত আমীর বলেন, আমরা যৌবন ও তারুণ্যদীপ্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। তরুণ ও যুবকদের হাতে এই বাংলাদেশ তুলে দিতে চাই। সেই বাংলাদেশকে তোমরা তোমাদের মেধা, যোগ্যতা, ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলবা। তোমাদের বুকে থাকবে সীমাহীন দেশপ্রেম। কারও কোন চোখরাঙ্গানীকে পাত্তা দিবানা। তোমরা বলবা, আমি বাংলাদেশ, এটা আমাদের বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য ধর্মের ভাই-বোনদের বুকে আগলে রাখবো। আমরা সুখে আছি দুঃখেও আছি, আমরা বিপদের সময় দেশ ছেড়ে যাই না, মাটি কামড়ে আমরা পড়ে থাকি আমরা তোমোদের নিয়ে এগিয়ে যাবো। কেউ আমাদের থামাতে পারবে না। আমরা এই দেশবাসীর কাছেই আশ্রয় চাই।
এ সময় লালমনিরহাট, নীলফামারীর জামায়াত মনোনীত বিভিন্ন প্রার্থীদের হাতে দাড়িপাল্লা মার্কা তুলে দেন জামায়াতের আমীর।
মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ 













