
” দেশের প্রতিটি অসচ্ছল পরিবারকে পারিবারিক কার্ডের আওতায় আনা হবে।
সানজিদা খাতুন:
বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ( ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের প্রতিটি অসচ্ছল পরিবারকে পারিবারিক কার্ডের আওতায় এনে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। যেখানে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয় মূখ্য হবে না।চাকরির ক্ষেত্রে কোন রাজনৈতিক পরিচয় ও ঘুষ বানিজ্যর সুযোগ দেওয়া হবে না, যোগ্যতার মাপকাঠিতে সরকারি চাকুরী দেওয়া হবে। শিক্ষাগণকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করা হবে এবং ক্রীড়াঙ্গণকে খেলা ধূলার মাধ্যমে সচল করা হবে। আগামী সাংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করে প্রথম মেয়াদের পাঁচ বছরে দেশের দেড় কোটি বেকার যুবক যুবতীর কর্মস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। লেখা পড়া শেষে বেকার যুবক যুবতীদের চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এক থেকে দেড় বছর বেকার ভাতা দেওয়া হবে। ব্যবসার করার ক্ষেত্রে বিনা শর্তে ঝণ দেওয়া হবে। বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও বিনা শর্তে ঝনের ব্যবস্থা করে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বাংলার কৃষকদের কৃষি উপকরণ সহজ লভ্য করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে লাভজনক ভাবে কৃষি পন্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী লোকবল নিয়োগ করে আমরা চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত জাতি গড়তে চাই।

গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের নির্বাচনী এলাকায় লোকনাথপুর হেলিপ্যাড মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
চুয়াডাঙ্গা- ২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপি, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন।
দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু ও দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেটের যৌথ সঞ্চালনায় এ সময় অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, যুগ্ম – সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আবুল হাশেম, সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হবি, দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আবুল হাসনাত, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র নওয়াব আলী, দর্শনা পৌরসভার সাবেক মেয়র মহিদুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আখতারুজ্জামান মিয়া, দর্শনা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী শওকত খন্দকার, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবীর, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলী, দর্শনা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী, জীবননগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব আলী ও নতিপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান টুনু, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকীসহ স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সানজিদা খাতুন: 






















