
বিশেষ প্রতিনিধি: টাকা আত্মসাৎ মামলায় মারুফ ইসলাম নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চুয়াডাঙ্গা পুরাতন হাসপাতাল এলাকার টাইলস ব্যবসায়ী সিটি মার্বেলের দোকান থেকে কৌশলে ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ’র অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল বুধবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার মারুফ ইসলাম (২৮) চুয়াডাঙ্গা শহরের সিএন্ডবি এলাকার ঈদগাহ পাড়ার বজলুর রহমান বজার ছেলে এবং সিটি মার্বেলের ম্যানেজার। এ ঘটনায় মারুফের ভাইসহ আরও ক’একজনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সিটি মার্বেলের মালিক গোলাম কিবরিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ বছর ধরে সিটি মার্বেলে’র দোকানের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে আসছিলো মারুফ ইসলাম। ফলে দোকানের বেচা কেনাসহ সব ধরনের হিসাব নিজ হাতেই করে আসছিলেন তিনি। দোকানের মালিক গোলাম কিবরিয়া হার্টের অপারেশন করার কারনে গত ৬ মাস দোকানে বসতে পারেননি । আর এই সুযোগে বিভিন্ন কৌশলে ২৪ লাখ ৫ হাজার ৮শ’ ৫২ টাকা হাতিয়ে নেয় মারুফ ইসলাম।
সিটি মার্বেলের মালিক গোলাম কিবরিয়া বলেন, দোকানের যাবতীয় সকল বিষয় ম্যানেজার মারুফ দেখাশোনা করতো। গত একমাস পূর্বে সিএন্ডবি এলাকায় তার গোডাউনের পাশে থেকে জৈনক ব্যাক্তি ফোন দিয়ে ম্যানেজার মারুফকে নজরে রাখতে বলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক হলে আরও একজন ম্যানেজার নেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার মালামাল ফেরত দেখিয়ে ১১ হাজার টাকা নিয়ে নেই মারুফ। গত রোববারও একই কায়দায় ৫ হাজার টাকা নেই সে। অথচ এসকল ফেরত মালামাল জমা খাতা বা গোডাউনে কোথাও খুঁজে না পেয়ে মারুফকে নিয়ে হিসাব শুরু করেন মালিক পক্ষ। গত দু’দিন ধরে হিসেব করে দেখা যায় প্রায় ২৪ লাখ ৫ হাজার ৮শ’ ৫২ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে গত সোমবার সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তিনি। তার পরও তিনি অপেক্ষায় ছিলেন মারুফের পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টা সমাধন করে কিনা। সে ধরনের কোন পদক্ষেপ না দেখায় ম্যানেজার মারুফকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন তারা।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান কাজল বলেন, “অর্থ আত্মসাতের মামলাটি আমরা গ্রহণ করে অভিযুক্ত প্রধান আসামী মারুফ ইসলামকে আটক করেছি। প্রাথমিক ভাবে সে আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেছে।
প্রতিনিধির নাম 












