আপডেট সময় :
০১:১৮:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
১৩০
Time View
Oplus_131072
বর্তমান বাজারে কৃষি ক্ষেত্রে সার, পানি, কীটনাশকসহ সমস্ত মালামালের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকায় অনেক চাষি চাষ থেকে ছিটকে পড়েছে। চাষ করতে গিয়ে অনেক চাষি বেপাকে পড়েছে। ধান, পাট, গম, ভুট্টা, সরিষা, পেঁপে, কলাসহ বিভিন্ন ধরণের চাষ আবাদে সার পানির ব্যাপক চাহিদা থাকে। এসব প্রতিটি ফসলে সময় মত সার, পানি দিলেও চাষ সম্পূর্ণ শেষে দেখা যায় লাভ খরচ সমান সমান। আবার কিছু সময় লাভের দেখা মেলে না। ফলে চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়ে। বর্তমানে নিজের কৃষি জমিতে কম খরচে অধিক লাভের আশায় শাঁকআলু চাষ করেন যুব জাহিদ হাসান (২৫)। বিনা খরচে বুদ্ধিমত্তার সাথে শাঁকআলু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন যুব জাহিদ হাসান। ১০ কাঠা জমিতে শাঁকআলু চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। জাহিদ হাসান দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের আব্দুর সাত্তারের ছেলে।
যুবক উদ্যোক্তা জাহিদ হাসান বলেন- ধান চাষের পাশাপাশি সবজি আবাদ করেও দেখলাম কিন্তু কোন চাষে বেশি লাভ দেখতে পাইনি। এবার নিজের ইচ্ছায় ১০ কাঠা জমিতে শাঁকআলু চাষ করে লক্ষাধিক টাকা চোখে দেখতে পেলাম। তাতে করে শাঁকআলু চাষের প্রতি আগ্রহ বেড়ে গেল। এই চাষটি একেবারেই বিনা খরচার।
চাষী হাসেম ও ইদ্রিস জানান, শাঁকআলু চাষ করে এবার বাম্পার ফলন যুবক উদ্যোক্তা জাহিদ হাসানের। ১০ কাঠা জমিতে প্রায় এক সময় শাঁকআলু বাজারজাত করেছেন। এবার শাঁকআলুর বাজার মূল্য বেশি থাকায় অধিক লাভের দেখা পেয়েছেন জাহিদ হাসান।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, শনিবার বিভিন্ন হাট বাজারে শাঁকআলুর খুচরা প্রতি মন ১ হাজার থেকে ১২‘শ টাকা পর্যন্ত কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা বিক্রয় করেছেন। তাতে করে দেখা গিয়েছে লেবার খরচ বাদ দিয়ে এক লক্ষ টাকা ঘরে তুলেছেন জাহিদ হাসান। তবে বলা যায় জাহিদ হাসান একজন সফল শাঁকআলু চাষি।