০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রাম

সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত ৭০ বছর বয়সী আকলিমা

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বয়স ৭০ বছর। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কপালে জোটেনি কোনো সরকারি ভাতা বা সাহায্য। বৃদ্ধার প্রশ্ন, আর কত বছর বয়স হলে তিনি ভাতা পাবেন। কথা হচ্ছে দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের মখোলাপাড়ার মৃত. রমজানের স্ত্রী আকলিমা খাতুনের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পীরপুরকুল্লা গ্রামের আকলিমা খাতুনের স্বামী ৪৫ বছর পূর্বে মারা গেছেন। তখন তার এক মেয়ে ও কোলে এক শিশু ছেলে ছিলো। অনেক কষ্ট করে ছেলে-মেয়ে বড় করে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে এখন নাতি-নাতনির নানা দাদা হয়ে গেছে।

আকলিমা আক্ষেপের সুরে বলেন, আমার শিশু সন্তান যখন কোলে তখন আমার স্বামী মারা যায়। সেই থেকে আজ অবধি একটা বিধবা ভাতা ও বয়স্কভাতার কার্ড কপালে জুটলো না। ছেলের ছেলে মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তারা কষ্ট করে আমার ছেলের বউ বাপের বাড়ি থেকে জমি বিক্রি করে এনে তাদের ঘর করে দিয়েছে। মানুষ আসলে আমার ছেলের ঘর দেখে। বলে পাকা বাড়ি। আমার তো প্রতিমাসে তিন চার হাজার টাকার ওষুধ লাগে। ছেলের বাড়ি তিনবেলা ভাত খাই। মেয়ের বাড়ি গিয়ে থাকি। তারা ভাত কাপড় দিলেও আমার ওষুধ খরচ তো তারা দিতে পারে না। সে সামর্থ তাদের নেই। তাদের যা আয় তাই দিয়ে সংসার চলে। এ বয়সে যদি একটা বিধবা বা বয়স্ক ভাতা কার্ড হতো তবুও তা দিয়ে যা পেতাম কোনরকম বাকি জীবনটা ওষুধ কিনে খেয়ে চলতে পারতাম।

স্থানীরা অনেকেই বলেন, বৃদ্ধা আকলিমা খুব কষ্ট করে জীবন পার করেছেন। তার একটি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা কার্ড হলে সে খুবই উপকৃত হতো। বৃদ্ধা আকলিমার একটি বয়স্ক ভাতা কার্ডের ব্যবস্থা করতে দামুড়হুদা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাসহ দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা মিতার সু-দৃষ্টি কামনা করেছন এলাকাবাসী।

এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় আপ টু ড্রাই ক্লিনার্স এন্ড হোম সার্ভিস শোরুম উদ্বোধন

দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রাম

সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত ৭০ বছর বয়সী আকলিমা

আপডেট সময় : ০৩:২০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বয়স ৭০ বছর। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কপালে জোটেনি কোনো সরকারি ভাতা বা সাহায্য। বৃদ্ধার প্রশ্ন, আর কত বছর বয়স হলে তিনি ভাতা পাবেন। কথা হচ্ছে দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের মখোলাপাড়ার মৃত. রমজানের স্ত্রী আকলিমা খাতুনের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পীরপুরকুল্লা গ্রামের আকলিমা খাতুনের স্বামী ৪৫ বছর পূর্বে মারা গেছেন। তখন তার এক মেয়ে ও কোলে এক শিশু ছেলে ছিলো। অনেক কষ্ট করে ছেলে-মেয়ে বড় করে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে এখন নাতি-নাতনির নানা দাদা হয়ে গেছে।

আকলিমা আক্ষেপের সুরে বলেন, আমার শিশু সন্তান যখন কোলে তখন আমার স্বামী মারা যায়। সেই থেকে আজ অবধি একটা বিধবা ভাতা ও বয়স্কভাতার কার্ড কপালে জুটলো না। ছেলের ছেলে মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তারা কষ্ট করে আমার ছেলের বউ বাপের বাড়ি থেকে জমি বিক্রি করে এনে তাদের ঘর করে দিয়েছে। মানুষ আসলে আমার ছেলের ঘর দেখে। বলে পাকা বাড়ি। আমার তো প্রতিমাসে তিন চার হাজার টাকার ওষুধ লাগে। ছেলের বাড়ি তিনবেলা ভাত খাই। মেয়ের বাড়ি গিয়ে থাকি। তারা ভাত কাপড় দিলেও আমার ওষুধ খরচ তো তারা দিতে পারে না। সে সামর্থ তাদের নেই। তাদের যা আয় তাই দিয়ে সংসার চলে। এ বয়সে যদি একটা বিধবা বা বয়স্ক ভাতা কার্ড হতো তবুও তা দিয়ে যা পেতাম কোনরকম বাকি জীবনটা ওষুধ কিনে খেয়ে চলতে পারতাম।

স্থানীরা অনেকেই বলেন, বৃদ্ধা আকলিমা খুব কষ্ট করে জীবন পার করেছেন। তার একটি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা কার্ড হলে সে খুবই উপকৃত হতো। বৃদ্ধা আকলিমার একটি বয়স্ক ভাতা কার্ডের ব্যবস্থা করতে দামুড়হুদা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাসহ দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা মিতার সু-দৃষ্টি কামনা করেছন এলাকাবাসী।