০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়ের ধাক্কায়  পিতার মৃত্যু : মেয়ে আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৬০ Time View

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:

আলমডাঙ্গার বকসিপুরে মেয়ের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে ইটের আঘাতে ছানোয়ার হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেলে নাতী ছেলেকে হাঁসুয়া দিয়ে মারতে গেলে মেয়ে বাঁধা প্রদান করায় তাকেও কোপ দিলে মেয়ের ধাক্কায় ওই ব্যক্তি পড়ে ইটের আঘাতে আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে চিকিৎসক কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মেয়ে ববিতা (৩০)কে আটক করেছে।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গার জজগন্নাথপুর গ্রামের ছানোয়ার হোসেন বকসিপুর গ্রামে কেসমত আলীর বাড়িতে ঘরজামাই থাকেন। কয়েক বছর আগ তার কন্যা ববিতাকে উপজেলার কামালপুর গ্রামের কাতব আলীর ছেলে সন্নত আলীর সাথে বিয়ে দেন। মেয়ের ১৩/১৪ বছরের একটা ছেলে হয়েছে। সন্নত আলী বর্তমানে সৌদি প্রবাসী। গত দুই সপ্তাহ আগে মেয়ে ববিতা বাপের বাড়ি বকসিপুরে বেড়াতে এসেছে। গতকাল রোববার বিকেলের দিকে ছানোয়ার হোসেন তার নাতি ছেলেকে মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য পাঠায়। বেশকিছু সময় অতিবাহিত হলেও নাতি ছেলে মোবাইলে রিচার্জ না করলে ছানোয়ার হোসেন ক্ষেপে যান। তিনি হাঁসুয়া দিয়ে নাতী ছেলেকে মারতে গেলে মেয়ে ববিতা পিতাকে বাঁধা দিতে যান। এ সময় ছানোয়ার হোসেন মেয়ের মাথায় কোপ মারলে মেয়ে ববিতা তার পিতাকে ধাক্কা দেয়। এতে ছানোয়ার মাটিতে পড়ে ইটে আঘাত পান। এ সময় ইটের গাদা থেকে কয়েকটি ইট মাথার উপড় পড়ে রক্তাক্ত জখম হন তিনি।

এদিকে স্থানীয় কেউ কেউ জানান, মেয়েকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ দিলে মেয়েও তার পিতার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। আহত ছানোয়ার হোসেনকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। কুষ্টিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় ছানোয়ার হোসেন মারা যান। থানা পুলিশ ঘটনার পর পরই মেয়ে ববিতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত মেয়েকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
এখন আলোচনায়

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

মেয়ের ধাক্কায়  পিতার মৃত্যু : মেয়ে আটক

আপডেট সময় : ০১:৩৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:

আলমডাঙ্গার বকসিপুরে মেয়ের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে ইটের আঘাতে ছানোয়ার হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেলে নাতী ছেলেকে হাঁসুয়া দিয়ে মারতে গেলে মেয়ে বাঁধা প্রদান করায় তাকেও কোপ দিলে মেয়ের ধাক্কায় ওই ব্যক্তি পড়ে ইটের আঘাতে আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে চিকিৎসক কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মেয়ে ববিতা (৩০)কে আটক করেছে।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গার জজগন্নাথপুর গ্রামের ছানোয়ার হোসেন বকসিপুর গ্রামে কেসমত আলীর বাড়িতে ঘরজামাই থাকেন। কয়েক বছর আগ তার কন্যা ববিতাকে উপজেলার কামালপুর গ্রামের কাতব আলীর ছেলে সন্নত আলীর সাথে বিয়ে দেন। মেয়ের ১৩/১৪ বছরের একটা ছেলে হয়েছে। সন্নত আলী বর্তমানে সৌদি প্রবাসী। গত দুই সপ্তাহ আগে মেয়ে ববিতা বাপের বাড়ি বকসিপুরে বেড়াতে এসেছে। গতকাল রোববার বিকেলের দিকে ছানোয়ার হোসেন তার নাতি ছেলেকে মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য পাঠায়। বেশকিছু সময় অতিবাহিত হলেও নাতি ছেলে মোবাইলে রিচার্জ না করলে ছানোয়ার হোসেন ক্ষেপে যান। তিনি হাঁসুয়া দিয়ে নাতী ছেলেকে মারতে গেলে মেয়ে ববিতা পিতাকে বাঁধা দিতে যান। এ সময় ছানোয়ার হোসেন মেয়ের মাথায় কোপ মারলে মেয়ে ববিতা তার পিতাকে ধাক্কা দেয়। এতে ছানোয়ার মাটিতে পড়ে ইটে আঘাত পান। এ সময় ইটের গাদা থেকে কয়েকটি ইট মাথার উপড় পড়ে রক্তাক্ত জখম হন তিনি।

এদিকে স্থানীয় কেউ কেউ জানান, মেয়েকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ দিলে মেয়েও তার পিতার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। আহত ছানোয়ার হোসেনকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। কুষ্টিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় ছানোয়ার হোসেন মারা যান। থানা পুলিশ ঘটনার পর পরই মেয়ে ববিতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত মেয়েকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।