০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোরবানির গোশত কতদিন পর্যন্ত খাওয়া যাবে?

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
  • ৬২ Time View

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলিম উম্মাহ পশু কোরবানি করেন। কোরবানির পশুর গোশত সমান ৩ ভাগে বণ্টন করে এক ভাগ রেখে, বাকিটুকু পৌঁছে দেন স্বজন ও দরিদ্র মানুষের বাড়ী বাড়ী বাড়ী।

এখন প্রশ্ন হলো- কোরবানির গোশত কতদিন পর্যন্ত খাওয়া যায়?

ইসলামের প্রথম যুগে ৩ দিনের পর আর কোরবানির গোশত সংরক্ষণের অনুমতি ছিল না। সদকা হিসেবে বিলিয়ে দিতে হতো দরিদ্র মানুষের মাঝে। সে সময় আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছিলেন, ‘তোমরা ৩ দিন পর্যন্ত কোরবানির গোশত রাখতে পারো। এরপর অবশিষ্ট যা থাকে, সদকা করে দাও’।

পরবর্তীতে মানুষের জীবনে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য এলে, সে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘দরিদ্র আগমনকারীদের কথা বিবেচনা করে আমি সংরক্ষণ করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা নিজে খাও, অন্যকে খাওয়াও; সংরক্ষণও করতে পারো’। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৭১)

প্রখ্যাত ফকিহ ইবনু আবদিল বার (রহ.) লিখেছেন, সম্মানিত আলিমগণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন যে, ৩ দিনের পরেও কোরবানির গোশত সংরক্ষণের অবকাশ রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা রহিত। ( আত-তামহিদ : ৩/২১৬)

(বিস্তারিত জানতে দেখুন— তথ্যসূত্র: আল বাহরুর রায়িক, ইবনু নুজাইম: ৮/২০৩; আল মাজমু, নববি: ৮/৪১৯; নাইলুল আওতার, শাওকানি: ৬/২৬৭; ফাতহুল বারি, ইবনু হাজার: ১০/৩০,৩১)। সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

Tag :
এখন আলোচনায়

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

কোরবানির গোশত কতদিন পর্যন্ত খাওয়া যাবে?

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলিম উম্মাহ পশু কোরবানি করেন। কোরবানির পশুর গোশত সমান ৩ ভাগে বণ্টন করে এক ভাগ রেখে, বাকিটুকু পৌঁছে দেন স্বজন ও দরিদ্র মানুষের বাড়ী বাড়ী বাড়ী।

এখন প্রশ্ন হলো- কোরবানির গোশত কতদিন পর্যন্ত খাওয়া যায়?

ইসলামের প্রথম যুগে ৩ দিনের পর আর কোরবানির গোশত সংরক্ষণের অনুমতি ছিল না। সদকা হিসেবে বিলিয়ে দিতে হতো দরিদ্র মানুষের মাঝে। সে সময় আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছিলেন, ‘তোমরা ৩ দিন পর্যন্ত কোরবানির গোশত রাখতে পারো। এরপর অবশিষ্ট যা থাকে, সদকা করে দাও’।

পরবর্তীতে মানুষের জীবনে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য এলে, সে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘দরিদ্র আগমনকারীদের কথা বিবেচনা করে আমি সংরক্ষণ করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা নিজে খাও, অন্যকে খাওয়াও; সংরক্ষণও করতে পারো’। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৭১)

প্রখ্যাত ফকিহ ইবনু আবদিল বার (রহ.) লিখেছেন, সম্মানিত আলিমগণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন যে, ৩ দিনের পরেও কোরবানির গোশত সংরক্ষণের অবকাশ রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা রহিত। ( আত-তামহিদ : ৩/২১৬)

(বিস্তারিত জানতে দেখুন— তথ্যসূত্র: আল বাহরুর রায়িক, ইবনু নুজাইম: ৮/২০৩; আল মাজমু, নববি: ৮/৪১৯; নাইলুল আওতার, শাওকানি: ৬/২৬৭; ফাতহুল বারি, ইবনু হাজার: ১০/৩০,৩১)। সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ